নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাকে সরকারি ভাতা কার্ড করে দেওয়ার নামে টাকা দাবি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
রবিবার (২৯ মার্চ) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে অভিযুক্তদের এ শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
শোকজপ্রাপ্তরা হলেন—বালাগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোছাঃ কহিনুর বেগম, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ গোলজার রহমান এবং সদস্য মোঃ হিরু চৌধুরী ও মোঃ মোসলেম উদ্দিন।
অভিযোগ রয়েছে, তারা মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্ক ভাতা ও ভিজিডি কার্ড করে দেওয়ার নামে সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করেছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরই প্রতিবাদে সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন “অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”