আন্দোলন প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক শুভ্র শচীন বলেন, সুন্দরবনে বাঘের প্রধান খাবার হরিণ শিকার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। স্থানীয় চিহ্নিত কিছু চোরা শিকারিচক্র সারা বছরই এই অনৈতিক কাজে জড়িত।
সাংবাদিক শুভ্র শচীন বলেন, যে পরিমাণ হরিণের মাংস ও চামড়া আটক হয়, তার থেকে কয়েকগুণ বেশি পরিমাণ হরিণ শিকার করা হয়। মাঝেমধ্যে দুই একটি অভিযানে হরিণের মাংস, চামড়া, মাথা উদ্ধার হলেও মূল চোরাশিকারি ও পাচারকারী আটক হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হরিণের মাংস বহনকারীরাই ধরা পড়ে। আর যারা আটক হন, তারা দুর্বল আইনের কারণে কয়েকদিন পর জেল থেকে ফিরে একই কাজে লিপ্ত হন। তবে অপরাধ দমনে শুধু টহলই যথেষ্ট নয়, বনের ওপর নির্ভরশীল মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানও তৈরি করা জরুরি। এ বিষয়ে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, বন অপরাধ দমনে বন বিভাগ সবসময় তৎপর রয়েছে।
সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এজেডএম হাছানুর রহমান জানিয়েছেন, ১ এপ্রিল থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু হয়েছে। মৌয়ালরা এখন সুন্দরবনে। দুই মাস ধরে চলবে মধু আহরণ।তিনি বলেন, একশ্রেণির অসাধু লোকজন সুন্দরবনের সম্পদ লুণ্ঠনের চেষ্টা চালায়। বনজসম্পদ রক্ষা, হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকার প্রতিরোধে বিশেষ সতর্কতা ও টহল জোরদার করা হয়েছে। খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ বলেন, জনবল সংকটসহ বেশকিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও সুন্দরবনকেন্দ্রিক সব ধরনের অপরাধ দমনে সচেষ্ট রয়েছে বনবিভাগ।