দৈনিক দেশ প্রতিদিন এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জুবায়ের হোসেন জাদুর ছলনা ও প্রতারণা (এক পাতা ছাপতে না পারা সম্পাদক! একই পদে একাধিক নিয়োগের অভিযোগ)
সাংবাদিকতা—যেখানে নীতি,সততা ও দায়িত্ববোধই মূল শক্তি। অথচ সেই মহৎ পেশার আড়ালে যদি কেউ প্রতারণার ফাঁদ পাতে, তা পুরো পেশার মান ও মর্যাদাকে কলুষিত করে তোলে। এমনই এক ভয়ংকর প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জুবায়ের হোসেন জাদুর বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, জুবায়ের হোসেন জাদু নিজেকে “ব্যবস্থাপনা সম্পাদক” পরিচয়ে সর্বত্র প্রচার করলেও, বাস্তবে তিনি পত্রিকার এক পাতা পর্যন্ত ছাপাতে অক্ষম। পত্রিকার কোনও স্থায়ী প্রেস অনুমোদন নেই, নেই নিয়মিত প্রকাশনার প্রমাণ। তবুও তিনি নিজেকে “জাতীয় দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকা সম্পাদক”হিসেবে পরিচয় দিয়ে তরুণ সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
এক তরুণ সাংবাদিক জানান— “তিনি কথার ফুলঝুড়ি দিয়ে আস্থা অর্জন করেন, কিন্তু বাস্তবে কিছুই দেন না। পরে বুঝি, সবটাই ছিল প্রতারণা।”আরও অবাক করার মতো তথ্য হলো—জুবায়ের হোসেন জাদু একই উপজেলায় একই পদে একাধিক সাংবাদিককে নিয়োগ দিয়েছেন! কারও কাছে “উপজেলা প্রতিনিধি”, কারও কাছে “সহকারী প্রতিনিধি”বা“অফিস ইনচার্জ”পরিচয় দিয়ে তিনি বিভিন্ন অঙ্কের টাকা গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী এক সাংবাদিক বলেন,"আমাকে প্রতিনিধি বানিয়ে পরে দেখি, আমার মতো আরও দুই জনকে একই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে!তিনি কেবল নিয়োগের নামে ব্যবসা করছেন।”এই ঘটনার পর সাংবাদিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। অনেকে বলছেন,এটি শুধু একজন ব্যক্তির প্রতারণা নয়—এটি পুরো গণমাধ্যমের বিশ্বাস যোগ্যতার ওপর আঘাত।
তরুণ সাংবাদিকদের বিশ্বাস ভেঙে দেওয়া এবং ভুয়া পদ বাণিজ্য চালানো সাংবাদিকতার চরম অবমাননা।
জুবায়ের হোসেন জাদুর মতো ছলনাবাজ ও প্রতারক ব্যক্তিদের কারণে সাংবাদিকতা পেশা ধীরে ধীরে হারাচ্ছে আস্থা ও সম্মান। সত্য,সততা ও পেশাগত নীতির পথে না ফিরলে,সাংবাদিকতার মঞ্চ একদিন প্রতারকদের দখলে চলে যাবে।