ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে রাতের আঁধারে গেটের তালা কেটে একটি মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ উঠেছে। চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটির মূল্য প্রায় ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে নবীনগর থানাধীন নারায়ণপুর গ্রামে জনৈক কামরুল হুজুরের বাসার সিঁড়ির নিচে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের মালিক "মো. এমদাদুল বারী" (৪১) নবীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
থানায় দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এমদাদুল বারী একজন ব্যবসায়ী। তার ব্যবসায়িক কাজে সহযোগিতার জন্য মো. রুবেল আমিন নামে এক ব্যক্তি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। মালিকের মোটরসাইকেলটি নিয়মিত রুবেল আমিন ব্যবহার করতেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৩০ আগস্ট রাত আনুমানিক ১১:৩০ মিনিটের দিকে রুবেল আমিন মোটরসাইকেলটি নারায়ণপুর গ্রামের কামরুল হুজুরের ভবনের নিচে রেখে ঘুমাতে যান। পরদিন ৩১ আগস্ট সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পান, সেখানে রাখা মোটরসাইকেলটি নেই।
পরে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও মোটরসাইকেলটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিষয়টি মোটরসাইকেলের মালিককে জানানো হলে তিনি আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা রাতের কোনো একসময় গেটের তালা কেটে কৌশলে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায়। পরিবারের সদস্য ও ম্যানেজারের সঙ্গে আলোচনা করার কারণে থানায় অভিযোগ করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন বাদী।
চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটি লাল-কালো রঙের ১৫০ সিসি পালসার, যার রেজিস্ট্রেশন নং- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ল-১১-৭৭২৫। এর ইঞ্জিন নং- DHXCMK19267 এবং চেসিস নং- PSUA11CY6MTC99009। অভিযোগে মোটরসাইকেলটির মূল্য ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নবীনগর থানায় আবেদন করেছেন মোটরসাইকেলের মালিক মো. এমদাদুল বারী।
তবে অভিযোগের বিষয়ে নবীনগর থানার পুলিশ জানায়, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধারে পুলিশের অভিযান ও অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
মো. নওশাদ ভুইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
তাং- ৩১-০৮-২০২৬
মোবাইল নং-