০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীতের কুয়াশায় ভাপা পিঠার ধোঁয়ায় জমে উঠছে গ্রামীণ আড্ডা

মোঃ মিজান লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম)
  • Update Time : ০১:৩১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩০ Time View

 

শীতের আগমনে গ্রামবাংলার সকাল–সন্ধ্যা এখন ভরে উঠেছে ভাপা পিঠার তপ্ত সুবাসে। কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে মাটির চুলার উপর বসানো হাঁড়িতে যখন ধোঁয়া উঠতে থাকে, তখন সেই গন্ধে টানেই ভিড় জমে স্থানীয় মানুষদের। গ্রামের দোকান, বাজারপাড়া কিংবা রাস্তার মোড়ে তৈরি হয় ছোটখাটো আড্ডার আসর।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, শীত এলেই ভাপা পিঠার দোকান যেন মিলনমেলায় পরিণত হয়। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, কৃষক—সবাই সামান্য সময়ের জন্য হলেও থামেন এক টুকরো গরম পিঠার স্বাদ নিতে। এতে যেমন শীত নিবারণ হয়, তেমনি জমে ওঠে বন্ধুত্বপূর্ণ আড্ডা। সেই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা এসেছি লোহাগাড়ার সনামধন্য প্রতিষ্টান ভাতঘর ইউনিট(২)।

পিঠা বিক্রেতা মোঃ মোশারফ হোসেন বলছেন,শীত এলেই আমাদের সময়টা জমে ওঠে। বিকেল হতেই দোকানের সামনে দাঁড়ায় লম্বা লাইন। ভাপা পিঠা বানানোর সময় যে ধোঁয়া আর গন্ধ বের হয়—এইটাই মানুষকে টেনে আনে। অনেকে শুধু পিঠা খেতে না, গল্প করতে করতেও সময় কাটায়। আমার দোকানটা যেন শীতে একটা মিলনমেলায় পরিণত হয়। আগের বছরের তুলনায় এবার বিক্রিও অনেক ভালো। দিনে প্রায় ৬০০-৭০০ পিঠা বিক্রি হয়।

শীতের কুয়াশা, পিঠার ধোঁয়া আর মানুষের হাসি–আড্ডায় গ্রামবাংলার শীত যেন হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শীতের কুয়াশায় ভাপা পিঠার ধোঁয়ায় জমে উঠছে গ্রামীণ আড্ডা

Update Time : ০১:৩১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

 

শীতের আগমনে গ্রামবাংলার সকাল–সন্ধ্যা এখন ভরে উঠেছে ভাপা পিঠার তপ্ত সুবাসে। কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে মাটির চুলার উপর বসানো হাঁড়িতে যখন ধোঁয়া উঠতে থাকে, তখন সেই গন্ধে টানেই ভিড় জমে স্থানীয় মানুষদের। গ্রামের দোকান, বাজারপাড়া কিংবা রাস্তার মোড়ে তৈরি হয় ছোটখাটো আড্ডার আসর।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, শীত এলেই ভাপা পিঠার দোকান যেন মিলনমেলায় পরিণত হয়। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, কৃষক—সবাই সামান্য সময়ের জন্য হলেও থামেন এক টুকরো গরম পিঠার স্বাদ নিতে। এতে যেমন শীত নিবারণ হয়, তেমনি জমে ওঠে বন্ধুত্বপূর্ণ আড্ডা। সেই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা এসেছি লোহাগাড়ার সনামধন্য প্রতিষ্টান ভাতঘর ইউনিট(২)।

পিঠা বিক্রেতা মোঃ মোশারফ হোসেন বলছেন,শীত এলেই আমাদের সময়টা জমে ওঠে। বিকেল হতেই দোকানের সামনে দাঁড়ায় লম্বা লাইন। ভাপা পিঠা বানানোর সময় যে ধোঁয়া আর গন্ধ বের হয়—এইটাই মানুষকে টেনে আনে। অনেকে শুধু পিঠা খেতে না, গল্প করতে করতেও সময় কাটায়। আমার দোকানটা যেন শীতে একটা মিলনমেলায় পরিণত হয়। আগের বছরের তুলনায় এবার বিক্রিও অনেক ভালো। দিনে প্রায় ৬০০-৭০০ পিঠা বিক্রি হয়।

শীতের কুয়াশা, পিঠার ধোঁয়া আর মানুষের হাসি–আড্ডায় গ্রামবাংলার শীত যেন হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত।