০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাইবার সিকিউরিটিতে নিজের অবস্থান তৈরি করছেন সাকিব

মোঃ মিজান, লোহাগাড়া প্রতিনিধি(চট্টগ্রাম) 
  • Update Time : ০৫:১৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১২৭ Time View

 

প্রযুক্তিনির্ভর এই আধুনিক বিশ্বে দিন দিন বেড়েই চলেছে সাইবার অপরাধের ঝুঁকি। ঠিক এমন এক সময়েই সাইবার সিকিউরিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে নিজের অবস্থান তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছেন লোহাগাড়ার মেধাবী তরুণ সাকিব।

 

জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ ছিল সাকিবের। সেই আগ্রহ থেকেই ধীরে ধীরে তিনি সাইবার সিকিউরিটির বিভিন্ন বিষয় যেমন—এথিক্যাল হ্যাকিং, নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি ও ডাটা প্রোটেকশন নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত কাজ করার পাশাপাশি নিজের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কোর্সেও অংশ নিচ্ছেন।

 

বাংলাদেশের অনেক ইউটিউবারের সাইবার সমস্যা সমাধান দিয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি দুর্নিবার আকর্ষণ ছিল সাকিবের। সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কিত সমস্যাগুলো এবং সাইবার অপরাধের ঝুঁকি কমানোর প্রতি তার প্রবল আগ্রহ তাকে সাইবার সিকিউরিটির পথে নিয়ে আসে। মাত্র ২২ বছর বয়সেই তিনি এ ক্ষেত্রে বেশ দক্ষতা অর্জন করেছেন।

 

মোহাম্মদ সাকিব বর্তমানে সাইবার সিকিউরিটি ও সোশ্যাল মিডিয়া-সম্পর্কিত বিভিন্ন সেবার ওপর একটি এজেন্সি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছেন।

 

তার কাজের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যেই বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছেন। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হ্যাকিং, আইডি রিকভারি, এবং গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে তার সেবা অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে।

 

মোহাম্মদ সাকিবের এই যাত্রা অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণা হতে পারে। তরুণ প্রজন্ম যদি তার মতো স্বপ্ন দেখতে শেখে এবং তা বাস্তবায়নে কাজ করে, তবে বাংলাদেশ প্রযুক্তিগত উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবে।

 

জানতে চাইলে মোহাম্মদ সাকিব বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশের অনেক মানুষই সাইবার ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন নন। আমি চাই মানুষকে সচেতন করতে এবং অনলাইন জগৎকে আরও নিরাপদ করতে কাজ করতে। আমি চাই এই সমস্যার সমাধানে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে। সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত জ্ঞানকে সব সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। যেন তারা নিজেদের সুরক্ষা নিজেরা নিশ্চিত করতে পারে।

 

স্থানীয়দের মতে, সাকিবের এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করতে তার মতো তরুণদের এগিয়ে আসা সময়ের দাবি বলেও মনে করেন তারা।

 

 

এদিকে সাইবার সিকিউরিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে কাজ করে ভবিষ্যতে দেশের জন্য বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখছেন সাকিব। তার এই পথচলা সফল হলে লোহাগাড়ার জন্যও বয়ে আনবে গর্ব ও সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সাইবার সিকিউরিটিতে নিজের অবস্থান তৈরি করছেন সাকিব

Update Time : ০৫:১৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

 

প্রযুক্তিনির্ভর এই আধুনিক বিশ্বে দিন দিন বেড়েই চলেছে সাইবার অপরাধের ঝুঁকি। ঠিক এমন এক সময়েই সাইবার সিকিউরিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে নিজের অবস্থান তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছেন লোহাগাড়ার মেধাবী তরুণ সাকিব।

 

জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ ছিল সাকিবের। সেই আগ্রহ থেকেই ধীরে ধীরে তিনি সাইবার সিকিউরিটির বিভিন্ন বিষয় যেমন—এথিক্যাল হ্যাকিং, নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি ও ডাটা প্রোটেকশন নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত কাজ করার পাশাপাশি নিজের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কোর্সেও অংশ নিচ্ছেন।

 

বাংলাদেশের অনেক ইউটিউবারের সাইবার সমস্যা সমাধান দিয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি দুর্নিবার আকর্ষণ ছিল সাকিবের। সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কিত সমস্যাগুলো এবং সাইবার অপরাধের ঝুঁকি কমানোর প্রতি তার প্রবল আগ্রহ তাকে সাইবার সিকিউরিটির পথে নিয়ে আসে। মাত্র ২২ বছর বয়সেই তিনি এ ক্ষেত্রে বেশ দক্ষতা অর্জন করেছেন।

 

মোহাম্মদ সাকিব বর্তমানে সাইবার সিকিউরিটি ও সোশ্যাল মিডিয়া-সম্পর্কিত বিভিন্ন সেবার ওপর একটি এজেন্সি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছেন।

 

তার কাজের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যেই বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছেন। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হ্যাকিং, আইডি রিকভারি, এবং গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে তার সেবা অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে।

 

মোহাম্মদ সাকিবের এই যাত্রা অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণা হতে পারে। তরুণ প্রজন্ম যদি তার মতো স্বপ্ন দেখতে শেখে এবং তা বাস্তবায়নে কাজ করে, তবে বাংলাদেশ প্রযুক্তিগত উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবে।

 

জানতে চাইলে মোহাম্মদ সাকিব বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশের অনেক মানুষই সাইবার ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন নন। আমি চাই মানুষকে সচেতন করতে এবং অনলাইন জগৎকে আরও নিরাপদ করতে কাজ করতে। আমি চাই এই সমস্যার সমাধানে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে। সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত জ্ঞানকে সব সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। যেন তারা নিজেদের সুরক্ষা নিজেরা নিশ্চিত করতে পারে।

 

স্থানীয়দের মতে, সাকিবের এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করতে তার মতো তরুণদের এগিয়ে আসা সময়ের দাবি বলেও মনে করেন তারা।

 

 

এদিকে সাইবার সিকিউরিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে কাজ করে ভবিষ্যতে দেশের জন্য বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখছেন সাকিব। তার এই পথচলা সফল হলে লোহাগাড়ার জন্যও বয়ে আনবে গর্ব ও সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।