০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীর জলঢাকায় ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন 

নুরুজ্জামান,নীলফামারী।
  • Update Time : ১২:৩৬:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৯৬ Time View

 

গাজীপুরে ১৩ বছরের মুসলিম মেয়েকে ধর্ষণকারী হিন্দু জয়, লোকনাথ ও সঞ্জিতসহ ইস্কনের বিরুদ্ধে কথা বলায় টঙ্গীর ঈমাম মাওঃ মুহিব্বুল্লাহ্ মিয়াজী কে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহারণ, বুয়েটের ধর্ষক শ্রীশান্ত রায়সহ ইস্কনের সকল খুনী-ধর্ষকের দ্রুত বিচার, ফাঁসী এবং ইস্কন নিষিদ্ধের দাবিতে- নীলফামারীর জলঢাকায় মানববন্ধন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন সর্বস্তরের মুসলিম তৌহিদি জনত। বক্তারা বলেন যে,ইসকন দিবালোকের মতো স্পষ্ট ইসকন আরএসএস’র অঙ্গ সংগঠন। ইসকন এদেশে ধর্মপ্রচার করতেছেনা বরং তারা আরএসএস এর কর্মকান্ড এদেশে প্রচার করতেছে। তারা ধর্মের ছন্দবেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদকে প্রচার এবং প্রসারে মাঠে নেমেছে। গত ১৬ বছর ইসকন এদেশকে তাদের অভয়ারণ্য হিসেবে পেয়েছিল। আমাদের মুসলমানদের উপর তারা অস্ত্র ধরেছে। আমাদের মুসলমান মা-বোনদের ইজ্জত নিয়ে তারা তামাশা করছে। ইসকনের মত সন্ত্রাসী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার সময়ের দাবি। ইসকনের ঠাঁই আমাদের এই বাংলাদেশের তৌহিদী জনতার ভূমিতে হতে পারে না।”বক্তারা আরও বলেন, “পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে যেমন সিঙ্গাপুর আফগানিস্তানের মতো দেশে এই ইসকন নিষিদ্ধ। কিন্তু আমাদের এই মুসলিম অধ্যুষিত দেশে কিভাবে এই উগ্র সন্ত্রাসীরা আস্তানা করে বসেছে সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। ইসকন নিষিদ্ধ করা দুনিয়ার সকল বিবেকবান মানুষের দাবি। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন থেকে বলা হয় ইসকন কোন হিন্দু সংগঠন নয় এটি একটি আরএসএস এর অঙ্গ সংগঠন। বরং এরা উগ্র হিন্দুত্ববাদ এর প্রচার-প্রসারের জন্য আদাজল খেয়ে নেমেছে। মুসলিম-হিন্দুদের মধ্যে যে সম্প্রীতির বন্ধনের সৌন্দর্যকে তারা নষ্ট করছে। অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা  দাবি জানাতে চাই অতি দ্রুত ইসকনকে নিষিদ্ধ করা হোক।”তারা আরো বলেন, “৫ আগষ্টের পর বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ইসকন নামক এই সন্ত্রাসী সংগঠন উঠেপড়ে লেগেছে। ভারতীয় দালাল ইসকনকে অতিবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে।
ইসকন বিগত সময়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ করেছে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় থেকে রুট লেভেল পর্যন্ত ইসকনকে সব জায়গায় বসানোর সুযোগ করে দিয়েছে। বর্তমানে প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্বে ফ্যাসিস্টদের দোসর কিনা যেভাবে খতিয়ে দেখা হয় সেভাবে ইসকনের সদস্য কিনা খতিয়ে দেখতে হবে। ইন্টেরিম সরকারকে বলতে চাই হয় ইসকনকে নিষিদ্ধ করুন অথবা গদি ছেড়ে দিন। ইসকনের বিরুদ্ধে জিহাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নীলফামারীর জলঢাকায় ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন 

Update Time : ১২:৩৬:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

 

গাজীপুরে ১৩ বছরের মুসলিম মেয়েকে ধর্ষণকারী হিন্দু জয়, লোকনাথ ও সঞ্জিতসহ ইস্কনের বিরুদ্ধে কথা বলায় টঙ্গীর ঈমাম মাওঃ মুহিব্বুল্লাহ্ মিয়াজী কে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহারণ, বুয়েটের ধর্ষক শ্রীশান্ত রায়সহ ইস্কনের সকল খুনী-ধর্ষকের দ্রুত বিচার, ফাঁসী এবং ইস্কন নিষিদ্ধের দাবিতে- নীলফামারীর জলঢাকায় মানববন্ধন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন সর্বস্তরের মুসলিম তৌহিদি জনত। বক্তারা বলেন যে,ইসকন দিবালোকের মতো স্পষ্ট ইসকন আরএসএস’র অঙ্গ সংগঠন। ইসকন এদেশে ধর্মপ্রচার করতেছেনা বরং তারা আরএসএস এর কর্মকান্ড এদেশে প্রচার করতেছে। তারা ধর্মের ছন্দবেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদকে প্রচার এবং প্রসারে মাঠে নেমেছে। গত ১৬ বছর ইসকন এদেশকে তাদের অভয়ারণ্য হিসেবে পেয়েছিল। আমাদের মুসলমানদের উপর তারা অস্ত্র ধরেছে। আমাদের মুসলমান মা-বোনদের ইজ্জত নিয়ে তারা তামাশা করছে। ইসকনের মত সন্ত্রাসী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার সময়ের দাবি। ইসকনের ঠাঁই আমাদের এই বাংলাদেশের তৌহিদী জনতার ভূমিতে হতে পারে না।”বক্তারা আরও বলেন, “পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে যেমন সিঙ্গাপুর আফগানিস্তানের মতো দেশে এই ইসকন নিষিদ্ধ। কিন্তু আমাদের এই মুসলিম অধ্যুষিত দেশে কিভাবে এই উগ্র সন্ত্রাসীরা আস্তানা করে বসেছে সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। ইসকন নিষিদ্ধ করা দুনিয়ার সকল বিবেকবান মানুষের দাবি। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন থেকে বলা হয় ইসকন কোন হিন্দু সংগঠন নয় এটি একটি আরএসএস এর অঙ্গ সংগঠন। বরং এরা উগ্র হিন্দুত্ববাদ এর প্রচার-প্রসারের জন্য আদাজল খেয়ে নেমেছে। মুসলিম-হিন্দুদের মধ্যে যে সম্প্রীতির বন্ধনের সৌন্দর্যকে তারা নষ্ট করছে। অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা  দাবি জানাতে চাই অতি দ্রুত ইসকনকে নিষিদ্ধ করা হোক।”তারা আরো বলেন, “৫ আগষ্টের পর বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ইসকন নামক এই সন্ত্রাসী সংগঠন উঠেপড়ে লেগেছে। ভারতীয় দালাল ইসকনকে অতিবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে।
ইসকন বিগত সময়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ করেছে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় থেকে রুট লেভেল পর্যন্ত ইসকনকে সব জায়গায় বসানোর সুযোগ করে দিয়েছে। বর্তমানে প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্বে ফ্যাসিস্টদের দোসর কিনা যেভাবে খতিয়ে দেখা হয় সেভাবে ইসকনের সদস্য কিনা খতিয়ে দেখতে হবে। ইন্টেরিম সরকারকে বলতে চাই হয় ইসকনকে নিষিদ্ধ করুন অথবা গদি ছেড়ে দিন। ইসকনের বিরুদ্ধে জিহাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”