০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিলাইছড়িতে হাতের নাগালে  তরমুজ: বিক্রয়ও বেশ ভালো

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৯:৫২:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৬১ Time View

 

বিলাইছড়িতে কমমূল্যে তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে। যা হাতের নাগালে। গরম সিজনে বিক্রয়ও বেশ ভালো।   ছোট তরমুজের দাম ২০ টাকা প্রতি পিস এবং বড় তরমুজ  একটি ৩০০ টাকা মাত্র। সরেজমিনে দেখতে গিয়ে এবং তাদের সঙ্গে কথা বলে ক্রেতা ও বিক্রতা রা  এ তথ্য জানান। ব্যবসায়ী মোঃ ফারুক,বাচ্চু মিঞা ও হোসেন আলী আরও জানান, তারা রাঙ্গামাটির মাইনী, লংগদু ও কাপ্তাই তরমুজ চাষী ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বলে শতকরা হিসেবে কিনে নেন।এবং বিলাই ছড়ি বাজারে বিক্রয় করেন। তীব্র গরমে ছোট তরমুজগুলো বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেশি ক্রয় করতে দেখা গেছে। পাশাপাশি দুরদুরান্ত থেকে আসা ব্যক্তিরা বেশি বড় তরমুজ কিনতে দেখা গেছে।

 

 

 

অন্য দিকে জা না গেছে, বিলাইছড়িতে যথেষ্ট পরিমাণে পতিত জমি না থাকার কারণে, এবং জলে ভাসা জমি গুলোতে ধাম চাষ ও দেরিতে ভেসে উঠার  ফলে এই উপজেলায় তরমুজ চাষ কম হয়। বাইরে থেকে এনে বিক্রয় করা হয়। জমি বাছাই করে কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে যদি ঠিকঠাক ভাবে করতে পারলে এখানেও ব্যাপক সম্ভাবনা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বিলাইছড়িতে হাতের নাগালে  তরমুজ: বিক্রয়ও বেশ ভালো

Update Time : ০৯:৫২:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

 

বিলাইছড়িতে কমমূল্যে তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে। যা হাতের নাগালে। গরম সিজনে বিক্রয়ও বেশ ভালো।   ছোট তরমুজের দাম ২০ টাকা প্রতি পিস এবং বড় তরমুজ  একটি ৩০০ টাকা মাত্র। সরেজমিনে দেখতে গিয়ে এবং তাদের সঙ্গে কথা বলে ক্রেতা ও বিক্রতা রা  এ তথ্য জানান। ব্যবসায়ী মোঃ ফারুক,বাচ্চু মিঞা ও হোসেন আলী আরও জানান, তারা রাঙ্গামাটির মাইনী, লংগদু ও কাপ্তাই তরমুজ চাষী ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বলে শতকরা হিসেবে কিনে নেন।এবং বিলাই ছড়ি বাজারে বিক্রয় করেন। তীব্র গরমে ছোট তরমুজগুলো বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেশি ক্রয় করতে দেখা গেছে। পাশাপাশি দুরদুরান্ত থেকে আসা ব্যক্তিরা বেশি বড় তরমুজ কিনতে দেখা গেছে।

 

 

 

অন্য দিকে জা না গেছে, বিলাইছড়িতে যথেষ্ট পরিমাণে পতিত জমি না থাকার কারণে, এবং জলে ভাসা জমি গুলোতে ধাম চাষ ও দেরিতে ভেসে উঠার  ফলে এই উপজেলায় তরমুজ চাষ কম হয়। বাইরে থেকে এনে বিক্রয় করা হয়। জমি বাছাই করে কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে যদি ঠিকঠাক ভাবে করতে পারলে এখানেও ব্যাপক সম্ভাবনা হবে।