১০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়ির গুইমারায় রাতের আঁধারে আগুনে পুড়ে ছাই ১৯টি দোকান, ফায়ার সার্ভিস না থাকায় স্থানীয়দের ক্ষোভ

মোঃ দিদারুল হৃদয়, খাগড়াছড়ি গুইমারা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : ০৪:৪৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৮১ Time View

 

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া বাজারে শনিবার দিবাগত রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে অন্তত ১৯টি দোকান। এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কোটি টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাত আনুমানিক ১টা ৪৪ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় বাসিন্দা, সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার সদস্য এবং দূরবর্তী এলাকা থেকে ছুটে আসা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে অধিকাংশ দোকানই ভস্মীভূত হয়ে যায়।

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছান গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আইরিন আক্তার, গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী এবং সেনাবাহিনীর জোন কমান্ডার।

ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা জানিয়ে ইউএনও আইরিন আক্তার বলেন—উপজেলা প্রশাসন এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে এবং যথাসম্ভব সহায়তা করা হবে।”

ফায়ার সার্ভিসের অভাবে বিপর্যয়, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, গুইমারা উপজেলা সদরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কোনো স্থায়ী কার্যালয় না থাকায় আগুন লাগার পর তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।

একজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বলেন—গুইমারাতে যদি ফায়ার সার্ভিসের স্থায়ী অফিস থাকতো, তাহলে আগুন শুরু হবার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া যেত। হয়তো আমাদের এত বড় ক্ষতি হতো না।”

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা এবং বাজার ব্যবসায়ী সমিতি দ্রুত গুইমারায় একটি পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস অফিস স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

খাগড়াছড়ির গুইমারায় রাতের আঁধারে আগুনে পুড়ে ছাই ১৯টি দোকান, ফায়ার সার্ভিস না থাকায় স্থানীয়দের ক্ষোভ

Update Time : ০৪:৪৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

 

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া বাজারে শনিবার দিবাগত রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে অন্তত ১৯টি দোকান। এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কোটি টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাত আনুমানিক ১টা ৪৪ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় বাসিন্দা, সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার সদস্য এবং দূরবর্তী এলাকা থেকে ছুটে আসা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে অধিকাংশ দোকানই ভস্মীভূত হয়ে যায়।

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছান গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আইরিন আক্তার, গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী এবং সেনাবাহিনীর জোন কমান্ডার।

ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা জানিয়ে ইউএনও আইরিন আক্তার বলেন—উপজেলা প্রশাসন এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে এবং যথাসম্ভব সহায়তা করা হবে।”

ফায়ার সার্ভিসের অভাবে বিপর্যয়, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, গুইমারা উপজেলা সদরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কোনো স্থায়ী কার্যালয় না থাকায় আগুন লাগার পর তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।

একজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বলেন—গুইমারাতে যদি ফায়ার সার্ভিসের স্থায়ী অফিস থাকতো, তাহলে আগুন শুরু হবার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া যেত। হয়তো আমাদের এত বড় ক্ষতি হতো না।”

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা এবং বাজার ব্যবসায়ী সমিতি দ্রুত গুইমারায় একটি পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস অফিস স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।