এপেস্টাইন ফাইলের বীভৎসতা পশ্চিমা মানবাধিকার ও নারী অধিকারের মুখোশ খুলে দিয়েছে।
- Update Time : ০৫:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১২৬ Time View

এপেস্টাইন ফাইলের বীভৎসতা পশ্চিমা মানবাধিকার ও নারী অধিকারের মুখোশ খুলে দিয়েছে।
৩ মিলিয়নের বেশি পৃষ্ঠা, দুই হাজারের উপরে ভিডিও এবং প্রায় ২ লক্ষ্যের মত ছবিযুক্ত এই ফাইলে এমন বর্বরতা উঠে এসেছে, যা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মত না। মেয়ে শিশুদের সাথে নির্মম যৌন নিপীড়ন থেকে শুরু করে তাদের গোশত খাওয়া ( আবার পড়ুন মানুষের গোশত খাওয়া) এর মত বর্বরতা সবই হত সেই ইভেন্টে।
ইলন মাস্ক, ডোনাল্ড ট্রাম্প সহ নামিদামি সেলিব্রিটি গায়ক, নায়ক, খেলোয়াড়, নির্মাতা সহ আপনার স্বপ্নের অনেক মানুষ এই বর্বরতার সাথে যুক্ত।
দেখুন এরাই কিন্তু মুসলিম বিশ্বের উপর তাদের নির্ধারিত মানবাধিকার ও নারী অধিকার চাপিয়ে দেয়। হুমকি দেয়, অবরোধ আরোপ করে। কিন্তু দিনশেষে তাদের উদ্দেশ্য নারীদের পণ্য বানানো। ভোগ করা। এসব অধিকারের গল্প না ফাঁদলে তো আমেরিকান সৈন্যরা তাদের নারী সহকর্মীদের গড়ে ৩ জন করে ভোগ করতে পারবে না। কর্মক্ষেত্র, রাজনীতি, মিডিয়া, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি সব জায়গার চিত্র একই।
মুসলিমদের ভাবা উচিত, তারা কাদের থেকে নারী অধিকার আর মানবাধিকারের শিক্ষা নিয়ে নিজের ফিতরাত ও আইডেন্টির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চায়। যেসব নারীবাদী আর মডারেটরা আপনাদের পশ্চিম থেকে আমদানি কৃত নারী অধিকারের ফ্রেইমওয়ার্ক শেখায় আবার এর উপর ইসলামি লেভেল লাগাতে চায়, এদের বর্জন করুন।
এদের লড়াইটা অধিকার আর ক্ষমতায়নের নামে আপনাকে ভোগ্যপণ্যে রূপান্তরিত করা। আপনাকে ভোগের এক নীরব জগতের দিকে ঠেলে দেয়া। আপনাকে আপনার ফিতরাত ও দ্বীনের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দেয়া।
মনে গেঁথে নিন, মানবাধিকার আর নারী অধিকারের নামে তারা যেই কাঠামোর দিকে আপনাকে ঠেলে দিতে চায়, সেখানে যৌন নিপীড়ন এবং পণ্যায়ন আবশ্যকীয় বাস্তবতা ও ফলাফল।
পশ্চিমের কোন দেশ এই বাস্তবতার নির্মমতা থেকে মুক্ত না। কিন্তু আপনার সামনে কেবল সেগুলো আড়াল করে রাখার চেষ্টা করা হয়। কেবল চোখ ধাঁধানো কৃত্রিম দৃশ্য বারবার আপনার সামনে প্রচারিত হয়। কিন্তু আড়ালের আহাজারিকে প্রলেপ দেয়া হয়।
সৈকত ইমরান
খুলনা।




















