মানব পাচার মামলা: প্রমাণের প্রতিবন্ধকতা ও করণীয় নিয়ে মতবিনিময় সভা
- Update Time : ০৩:০২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১৪৬ Time View

খুলনা, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার আয়োজনে এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় “মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলাগুলো প্রমাণে প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিরোধে করণীয়” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা আজ সোমবার বিকালে খুলনার হোটেল ওয়েস্টার্ন ইনে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার জাতীয় কমিটির সদস্য ও খুলনা জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব এড. আব্দুল মালেক। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা সম্পাদক ও বিভাগীয় সমন্বয়কারী এড. মোমিনুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের সম্মানিত বিচারক বুশরা সাইয়েদা। অতিথি ছিলেন জনশক্তি ও প্রবাসী কল্যাণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ইকবাল হোসেন, মহিলা ও শিশু অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার সাজিয়া আফরিন সিদ্দিকী, বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের পিপি এড জিল্লুর রহমান।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোজাম্মেল হক। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, মানব পাচার একটি জটিল ও সংঘবদ্ধ অপরাধ উল্লেখ করে এর প্রতিরোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় মূল ধারণাপত্র পাঠ করেন এড. আজিজুর রহমান। তিনি মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলাগুলোতে সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা, মামলা পরিচালনার দীর্ঘসূত্রতা এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। পাশাপাশি এসব প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ উপস্থাপন করেন।অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র আইনজীবি এড হারুন অর রশীদ, ট্রাইবুনালের এপিপি এড
দীপ্তি রায়, এড যুবায়ের, অতিরিক্ত পিপি এড হুমায়ন কবীর উজ্জ্বল, কারিতাসের কনিকা হালদার, ব্লাস্টের এড অশোক কুমার সাহা, ট্রাইবুনালের স্টাফ নাসরিন, পেশকার রাকিবুল হাসান, এড মহসীন চৌধুরী, সংস্থার ঢাকা অফিসের প্রোগ্রাম সমন্বায়ক সাইফুল আলম চৌধুরী মারুফ প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা মানব পাচার মামলার কার্যকর বিচার নিশ্চিত করতে ভুক্তভোগীদের আইনগত সহযোগিতা, উদার দৃষ্টিভঙ্গি, দক্ষ তদন্ত, সাক্ষীদের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় আইনজীবী, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, মানবাধিকার কর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।




















