০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনার পাইকগাছায় কপিলমুনিতে শ্রেণিকক্ষে ফ্যান খুলে পড়ে এক ছাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে

মোঃ শফিয়ার রহমান পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৭:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৭০ Time View

 

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ৪৭ নম্বর হাউলী প্রতাপকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

আহত আফিয়া ইভনাত আলভী প্রতাপকাটি গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস খানের মেয়ে। সে ওই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।

বিদ্যালয় ও আহত ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল থেকে বিদ্যালয়ে যথারীতি পাঠদান চলছিল। এ সময় শ্রেণিকক্ষে ফ্যানটি চালু ছিল। হঠাৎ ফ্যানটির নাট খুলে সেটি নিচে পড়ে যায়। প্রথমে ফ্যানটি শ্রেণিকক্ষের একটি টেবিলের ওপর পড়ে। পরে সেখান থেকে ছিটকে ফ্যানের হাতল আফিয়ার নাক ও মুখের ওপর আঘাত করে।

 

এতে তার নাক ও মুখ কেটে গিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে কপিলমুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা ও সেলাই দেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিনাকী সাধু বলেন, নতুন ভবনের শ্রেণিকক্ষে ফ্যানটি লাগানো হয়েছিল। ফ্যানের নাট খুলে যাওয়ার কারণে সেটি প্রথমে টেবিলের ওপর পড়ে। পরে সেখান থেকে ছিটকে ফ্যানের হাতল ওই ছাত্রীর নাকে লাগে। এতে সে আহত হয়েছে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো রয়েছে।

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ অন্যান্য সরঞ্জামের নিরাপত্তা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ব্যবহৃত ফ্যান, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়মিত পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

খুলনার পাইকগাছায় কপিলমুনিতে শ্রেণিকক্ষে ফ্যান খুলে পড়ে এক ছাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে

Update Time : ০৭:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

 

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ৪৭ নম্বর হাউলী প্রতাপকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

আহত আফিয়া ইভনাত আলভী প্রতাপকাটি গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস খানের মেয়ে। সে ওই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।

বিদ্যালয় ও আহত ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল থেকে বিদ্যালয়ে যথারীতি পাঠদান চলছিল। এ সময় শ্রেণিকক্ষে ফ্যানটি চালু ছিল। হঠাৎ ফ্যানটির নাট খুলে সেটি নিচে পড়ে যায়। প্রথমে ফ্যানটি শ্রেণিকক্ষের একটি টেবিলের ওপর পড়ে। পরে সেখান থেকে ছিটকে ফ্যানের হাতল আফিয়ার নাক ও মুখের ওপর আঘাত করে।

 

এতে তার নাক ও মুখ কেটে গিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে কপিলমুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা ও সেলাই দেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিনাকী সাধু বলেন, নতুন ভবনের শ্রেণিকক্ষে ফ্যানটি লাগানো হয়েছিল। ফ্যানের নাট খুলে যাওয়ার কারণে সেটি প্রথমে টেবিলের ওপর পড়ে। পরে সেখান থেকে ছিটকে ফ্যানের হাতল ওই ছাত্রীর নাকে লাগে। এতে সে আহত হয়েছে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো রয়েছে।

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ অন্যান্য সরঞ্জামের নিরাপত্তা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ব্যবহৃত ফ্যান, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়মিত পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।