০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিরপেক্ষ ভোট আয়োজন: সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের প্রশংসা সর্বত্র

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৬:০৮:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১১৭ Time View

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ ভোট আয়োজন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন। কঠোর নিরাপত্তা ও সমন্বিত তৎপরতায় ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন।

নির্বাচনের আগের দিন থেকেই প্রশাসনের কর্মকর্তারা নির্বাচনী সরঞ্জাম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তদারকিতে মাঠে সক্রিয় ছিলেন। ভোটের দিন ভোর থেকে কেন্দ্রগুলোতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি,র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রতিটি কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার থাকায় ভোটারদের মধ্যে ছিল স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে লক্ষ্যে মোবাইল টিম ও টহল জোরদার করা হয়। প্রশাসনের এ তৎপরতায় নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

ভোটারদের অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন পর এত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে তারা সন্তুষ্ট। কেন্দ্রগুলোতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনিয়ম চোখে পড়েনি বলেও জানান তারা। নারী ও বয়স্ক ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগও প্রশংসিত হয়েছে।

সার্বিকভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত ভূমিকা নিরপেক্ষ ও সুশৃঙ্খল ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ায় প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নিরপেক্ষ ভোট আয়োজন: সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের প্রশংসা সর্বত্র

Update Time : ০৬:০৮:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ ভোট আয়োজন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন। কঠোর নিরাপত্তা ও সমন্বিত তৎপরতায় ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন।

নির্বাচনের আগের দিন থেকেই প্রশাসনের কর্মকর্তারা নির্বাচনী সরঞ্জাম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তদারকিতে মাঠে সক্রিয় ছিলেন। ভোটের দিন ভোর থেকে কেন্দ্রগুলোতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি,র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রতিটি কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার থাকায় ভোটারদের মধ্যে ছিল স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে লক্ষ্যে মোবাইল টিম ও টহল জোরদার করা হয়। প্রশাসনের এ তৎপরতায় নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

ভোটারদের অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন পর এত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে তারা সন্তুষ্ট। কেন্দ্রগুলোতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনিয়ম চোখে পড়েনি বলেও জানান তারা। নারী ও বয়স্ক ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগও প্রশংসিত হয়েছে।

সার্বিকভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত ভূমিকা নিরপেক্ষ ও সুশৃঙ্খল ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ায় প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।