০৫:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাপলা গণহত্যার বিচার ও ডকুমেন্টেশন একসাথে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান এমপি মাহবুবা হাকিমের

আল আমিন মিরা, ঢাকা প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৬:২৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / ১৩১ Time View

 

ঢাকা, ৮ মে ২০২৬: শাপলা স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত “শাপলার শহীদগাথা: স্মরণ ও মূল্যায়ন” শীর্ষক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংরক্ষিত মহিলা আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তিনি শাপলা গণহত্যা বিষয়ক চিত্রপ্রদর্শনী ও আয়োজিত বিভিন্ন কার্যক্রম গভীর মনোযোগের সাথে পরিদর্শন করেন।

এসময় তিনি বলেন, “মানুষ শাপলা গণহত্যার বিচার চায়। শাপলা গণহত্যার বিচার ও ডকুমেন্টেশন একসাথেই এগোতে হবে। ডকুমেন্টেশন আর বিচার—দুটো পাশাপাশি চললেই শাপলার দায় পূর্ণতা পাবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক সংবেদনশীল অধ্যায়। নতুন প্রজন্মকে সেই কালো অধ্যায়ের সাথে পরিচিত করার এক অনবদ্য উদ্যোগ এই ‘শাপলার শহীদগাথা’ অনুষ্ঠান।”

 

তিনি শাপলা চেতনার উপর দেশব্যাপী আয়োজিত প্রতিযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানতে, গবেষণায় আগ্রহী হতে এবং সচেতনতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করবে। পাশাপাশি পুরস্কার প্রদান সারা দেশে ইতিবাচক উৎসাহ সৃষ্টি করবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ।”

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শাপলা গণহত্যার বিচার ও ডকুমেন্টেশন একসাথে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান এমপি মাহবুবা হাকিমের

Update Time : ০৬:২৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

ঢাকা, ৮ মে ২০২৬: শাপলা স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত “শাপলার শহীদগাথা: স্মরণ ও মূল্যায়ন” শীর্ষক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংরক্ষিত মহিলা আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তিনি শাপলা গণহত্যা বিষয়ক চিত্রপ্রদর্শনী ও আয়োজিত বিভিন্ন কার্যক্রম গভীর মনোযোগের সাথে পরিদর্শন করেন।

এসময় তিনি বলেন, “মানুষ শাপলা গণহত্যার বিচার চায়। শাপলা গণহত্যার বিচার ও ডকুমেন্টেশন একসাথেই এগোতে হবে। ডকুমেন্টেশন আর বিচার—দুটো পাশাপাশি চললেই শাপলার দায় পূর্ণতা পাবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক সংবেদনশীল অধ্যায়। নতুন প্রজন্মকে সেই কালো অধ্যায়ের সাথে পরিচিত করার এক অনবদ্য উদ্যোগ এই ‘শাপলার শহীদগাথা’ অনুষ্ঠান।”

 

তিনি শাপলা চেতনার উপর দেশব্যাপী আয়োজিত প্রতিযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানতে, গবেষণায় আগ্রহী হতে এবং সচেতনতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করবে। পাশাপাশি পুরস্কার প্রদান সারা দেশে ইতিবাচক উৎসাহ সৃষ্টি করবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ।”