অবশেষে আওয়ামী দোসর চট্টগ্রামের নৌ সেক্টরের ক্যাপ্টেন সাব্বিরকে বহিষ্কার
- Update Time : ০৪:০২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
- / ২২৩ Time View

দেশের অধিকাংশ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চট্টগ্রাম নৌ সেক্টরের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এ গুরুত্বপূর্ণ খাতটি আওয়ামী দাসচক্রের নিয়ন্ত্রণে থেকে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আসছিল। গত ৫ই আগস্ট সারা দেশের মুক্তিকামী জনতার আন্দোলনে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার পতিত হলেও নৌ সেক্টর এতোদিন আওয়ামী দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়নি। অনেক কল্পনা জল্পনার পর এবার এই সেক্টরের ক্যাপ্টেন সাব্বির মাহমুদকে বহিষ্কার করায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,
গত ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে স্মারক নং-১৮.০০.০০০০.০১৬.২৭.০০২.২৪-৯১০ এ অফিস আদেশে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ এর সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ স্বাক্ষরিত সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা,২০১৮ এর ৩ (খ) বিধি অনুযায়ী “অসদাচরণ” এর পর্যায়ভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিধায় উক্ত বিধিমালার বিধি ১২ (১) অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ গায়ের জোরে এ সেক্টরের প্রায় সব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল দায়িত্বে থাকা নৌপরিবহন অধিদপ্তরের আওতাধীন তিনি চট্টগ্রাম অফিসের নৌ বাণিজ্যিক অফিস শাখার প্রধান ছিলেন।
চাকরি জীবনে প্রথমে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের কর্মকর্তা হিসেবে চাকরিকালীন সময়ে সহকর্মীদের সঙ্গে অশোভন আচরণের জন্য একাধিকবার অভিযুক্ত হন তিনি। পরবর্তীতে মেরিন একাডেমিতে শিক্ষকতা করার সময় ছাত্র-ছাত্রীদের নির্যাতন, একাডেমির সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ব্যক্তিগত ব্যবসা পরিচালনা ইত্যাদি অভিযোগেও আলোচনায় থাকেন তিনি। তাছাড়া ফ্যাসিস্ট আমলে খালেদ মাহমুদ ও শেখ রেহানার যোগসাজশে অস্বচ্ছ নিয়োগবিধি পাশ করিয়ে বিএনপি-জামাত তকমা দিয়ে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে নিজেকে নৌবাণিজ্যিক অফিসের প্রধান পদে বসান। এভাবে তিনি সরকারি একাডেমির শিক্ষক থেকে সরাসরি জনগুরুত্বপূর্ণ পদে উঠে আসেন যা প্রশাসনিক নিয়মের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক বিভাগীয় মামলা ও দুর্নীতির অভিযোগ, যেমন-সরকারি কাগজে জালিয়াতি, নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্য, রাজনৈতিক দালালি,বিদেশে অর্থ পাচার,কমিশন বাণিজ্য,ফাইল আটকে রাখা ও প্রভাব বিস্তার,জাহাজ মালিকদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ আদায়, ফরমায়েশি দরপত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ ইত্যাদি।
























