০৪:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে অপহরণের ৫ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার

তুহিনুর রহমান তালুকদার স্টাফ রির্পোটার।
  • Update Time : ০৯:০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১০৬ Time View

 

হবিগঞ্জে মাধবপুরে অপহরণের ৫ দিন পর স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার তনুকে (১৫) উদ্ধার করা হয়েছে।সে উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সাউথ কাশিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ধর্মঘর ইউপির দেবপুর গ্রামের ইউপি সদস্য সোহরাব উদ্দিনের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১ ডিসেম্বর সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে ধর্মঘরের নিজনগর গ্রামের রায়সুল ইসলাম টুটুল ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে সামিয়াকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের পর তাকে অন্ধকার ঘরে আটকে রেখে কয়েক দিন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ।

ঘটনার পরদিন ২ ডিসেম্বর মাধবপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন সামিয়ার বাবা (ডায়রি নং: ৮০)। পরে পরিবারের সদস্যরা ৫ ডিসেম্বর শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুল্লার চেংগাহাটি এলাকার সুলতান মিয়ার বাড়ি থেকে সামিয়াকে উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি মানসিক আঘাত নিয়ে পরিবারের কাছে রয়েছেন।

ভুক্তভোগী সামিয়া জানান,“ওরা আমাকে অন্ধকারে বন্দি করে রাখে। নির্যাতন করেছে। আমি বারবার বাবা-মাকে খুঁজেছি। মনে হয়েছিল, আর বাঁচতে পারবো না।”

সামিয়ার বাবা ইউপি সদস্য সোহরাব উদ্দিন বলেন,

“আমার স্কুল–পড়ুয়া মেয়েকে যেভাবে অপহরণ ও নির্যাতন করা হয়েছে—আমি এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”

স্থানীয় যুবদল নেতা আমিনুর রহমান আমিন অভিযোগ করে বলেন,“এলাকায় অপহরণ, ইভটিজিংসহ নারী নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে গেছে। এসব বন্ধে অভিযান চালানো জরুরি।”

অভিযুক্ত রায়সুল ইসলাম টুটুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মাধবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন,“ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পরিবারকে উদ্ধার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছি। এখন প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

ছবি: ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার তনু

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

হবিগঞ্জে অপহরণের ৫ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার

Update Time : ০৯:০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

 

হবিগঞ্জে মাধবপুরে অপহরণের ৫ দিন পর স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার তনুকে (১৫) উদ্ধার করা হয়েছে।সে উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সাউথ কাশিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ধর্মঘর ইউপির দেবপুর গ্রামের ইউপি সদস্য সোহরাব উদ্দিনের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১ ডিসেম্বর সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে ধর্মঘরের নিজনগর গ্রামের রায়সুল ইসলাম টুটুল ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে সামিয়াকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের পর তাকে অন্ধকার ঘরে আটকে রেখে কয়েক দিন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ।

ঘটনার পরদিন ২ ডিসেম্বর মাধবপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন সামিয়ার বাবা (ডায়রি নং: ৮০)। পরে পরিবারের সদস্যরা ৫ ডিসেম্বর শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুল্লার চেংগাহাটি এলাকার সুলতান মিয়ার বাড়ি থেকে সামিয়াকে উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি মানসিক আঘাত নিয়ে পরিবারের কাছে রয়েছেন।

ভুক্তভোগী সামিয়া জানান,“ওরা আমাকে অন্ধকারে বন্দি করে রাখে। নির্যাতন করেছে। আমি বারবার বাবা-মাকে খুঁজেছি। মনে হয়েছিল, আর বাঁচতে পারবো না।”

সামিয়ার বাবা ইউপি সদস্য সোহরাব উদ্দিন বলেন,

“আমার স্কুল–পড়ুয়া মেয়েকে যেভাবে অপহরণ ও নির্যাতন করা হয়েছে—আমি এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”

স্থানীয় যুবদল নেতা আমিনুর রহমান আমিন অভিযোগ করে বলেন,“এলাকায় অপহরণ, ইভটিজিংসহ নারী নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে গেছে। এসব বন্ধে অভিযান চালানো জরুরি।”

অভিযুক্ত রায়সুল ইসলাম টুটুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মাধবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন,“ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পরিবারকে উদ্ধার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছি। এখন প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

ছবি: ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তার তনু