০৩:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতার্ত মানুষের শেষ ভরসা ফুটফাতের দোকান

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,বিলাইছড়ি(রাঙ্গামাটি)প্রতিনিধি
  • Update Time : ১১:৪৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৯৩ Time View

 

পৌষের হিমেল  কনকনে হাড় কাঁপানো শীতের  প্রকোপে জমে উঠেছে ফুটপাথের কমদামী গরম কাপড়ের দোকান। শীতার্ত মানুষের উপচে পড়া ভিড় এসব দোকান গুলোতে। কেউ দেখছে, কেউ দরদাম করছে, কেউ কিনছে,কেউ এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরছে পছন্দের গরম কাপড়ের জন্য।

 

 

বিলাইছড়ি উপজেলার ছোট বড় সব বাজার গুলোতে এখন ভ্রাম্যমান গরম কাপড়ের দোকানিদের দেখা মিলছে। দোকান গুলোতে রয়েছে বিভিন্ন বয়সের,বিভিন্ন শ্রেণির ক্রেতার উপচে পড়া ভিড়। ধনী-গরীব, হতদরিদ্র, ছিন্নমূল শ্রেণীর মানুষ তাদের পছন্দের গরম কাপড় ক্রয় এর জন্য ভীড় জমাচ্ছে এ সমস্ত দোকানে। ব্যবসায়ীরাও বেশ খুশি তারা বলছেন, প্রচন্ড শীতের প্রকোপ দিশেহারা নিন্ম আয়ের মানুষ। তারা কনকনে শীত থেকে বাঁচার জন্য ছুঁটে আসছেন এসব দোকানগুলোতে। সেক্ষেত্রে আমাদের বেঁচা বিক্রি যথেষ্ট ভালো তবে যদি শীতের ভিতরে দু একটা শৈত্য প্রবাহ আসে তাহলে বেচার বিক্রি আরো বেড়ে যেতে পারে।

 

 

বাজারে কয়েকজন ভ্রাম্যমান কাপড় ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তারা জানান, তুলনামূলকভাবে অন্যান্য বছরে তুলনায় আমাদের বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। পোশাকগুলো পুরাতন হলেও ব্যবহারের উপযোগী হওয়ায় ক্রেতা কেনার আগ্রহ প্রকাশ করছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় দামের তারতম্য থাকলেও সেটা খুব বেশি নয়।

 

 

অন্যদিকে ক্রেতারা ভিন্নমত পোষণ করে বলছেন, পুরাতন কাপড় হিসেবে দোকানিরা কয়েক গুণ বেশি দাম হাঁকছেন। যেটা আমাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। সে কারণেই বেশিরভাগ ক্রেতা দেখছেন কিন্তু কিনতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। ক্রেতাদের আশা দোকানিরা হয়তো দাম কমাবে এবং তখন তারা পছন্দের জিনিসটি ক্রয় করতে পারবেন।

 

 

 

মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণীর ক্রেতা বেশি লক্ষ্য করা যায় এ ভ্রাম্যমান দোকানগুলোতে কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন, মার্কেটের বড় বড় দোকান গুলোতে গরম কাপড়ের দাম আকাশচুম্বী। এক থেকে দুই  হাজার টাকার নিচে কোন পোশাক মিলবে না। যেটা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।   অন্যদিকে এ সমস্ত দোকান গুলোতে অনেক শীতকে রুখতে পোশাক ৫০ টাকা থেকে ৫০০ শত টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। সে কারণেই এসব দোকানে ক্রেতার উপস্থিতি অনেক বেশি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শীতার্ত মানুষের শেষ ভরসা ফুটফাতের দোকান

Update Time : ১১:৪৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

 

পৌষের হিমেল  কনকনে হাড় কাঁপানো শীতের  প্রকোপে জমে উঠেছে ফুটপাথের কমদামী গরম কাপড়ের দোকান। শীতার্ত মানুষের উপচে পড়া ভিড় এসব দোকান গুলোতে। কেউ দেখছে, কেউ দরদাম করছে, কেউ কিনছে,কেউ এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরছে পছন্দের গরম কাপড়ের জন্য।

 

 

বিলাইছড়ি উপজেলার ছোট বড় সব বাজার গুলোতে এখন ভ্রাম্যমান গরম কাপড়ের দোকানিদের দেখা মিলছে। দোকান গুলোতে রয়েছে বিভিন্ন বয়সের,বিভিন্ন শ্রেণির ক্রেতার উপচে পড়া ভিড়। ধনী-গরীব, হতদরিদ্র, ছিন্নমূল শ্রেণীর মানুষ তাদের পছন্দের গরম কাপড় ক্রয় এর জন্য ভীড় জমাচ্ছে এ সমস্ত দোকানে। ব্যবসায়ীরাও বেশ খুশি তারা বলছেন, প্রচন্ড শীতের প্রকোপ দিশেহারা নিন্ম আয়ের মানুষ। তারা কনকনে শীত থেকে বাঁচার জন্য ছুঁটে আসছেন এসব দোকানগুলোতে। সেক্ষেত্রে আমাদের বেঁচা বিক্রি যথেষ্ট ভালো তবে যদি শীতের ভিতরে দু একটা শৈত্য প্রবাহ আসে তাহলে বেচার বিক্রি আরো বেড়ে যেতে পারে।

 

 

বাজারে কয়েকজন ভ্রাম্যমান কাপড় ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তারা জানান, তুলনামূলকভাবে অন্যান্য বছরে তুলনায় আমাদের বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। পোশাকগুলো পুরাতন হলেও ব্যবহারের উপযোগী হওয়ায় ক্রেতা কেনার আগ্রহ প্রকাশ করছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় দামের তারতম্য থাকলেও সেটা খুব বেশি নয়।

 

 

অন্যদিকে ক্রেতারা ভিন্নমত পোষণ করে বলছেন, পুরাতন কাপড় হিসেবে দোকানিরা কয়েক গুণ বেশি দাম হাঁকছেন। যেটা আমাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। সে কারণেই বেশিরভাগ ক্রেতা দেখছেন কিন্তু কিনতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। ক্রেতাদের আশা দোকানিরা হয়তো দাম কমাবে এবং তখন তারা পছন্দের জিনিসটি ক্রয় করতে পারবেন।

 

 

 

মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণীর ক্রেতা বেশি লক্ষ্য করা যায় এ ভ্রাম্যমান দোকানগুলোতে কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন, মার্কেটের বড় বড় দোকান গুলোতে গরম কাপড়ের দাম আকাশচুম্বী। এক থেকে দুই  হাজার টাকার নিচে কোন পোশাক মিলবে না। যেটা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।   অন্যদিকে এ সমস্ত দোকান গুলোতে অনেক শীতকে রুখতে পোশাক ৫০ টাকা থেকে ৫০০ শত টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। সে কারণেই এসব দোকানে ক্রেতার উপস্থিতি অনেক বেশি।