০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে শ্যামনগর উপজেলার কুখ্যাত চোরাচালানকারী এবং মানবপাচারকারী কালীগঞ্জ ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ ‎

‎সাতক্ষীরা,শ্যামনগর প্রতিনিধি : শেখ মেহেদী ‎হাসান 
  • Update Time : ০৯:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৯৭ Time View

 

‎গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ রাত ০০.৩ ঘটিকা হতে ভোর ০০.৬ ঘটিকা পর্যন্ত শ্যামনগর উপজেলায় কুখ্যাত চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করতে ১৭ নীল ডুমুর ব্যাটেলিয়ান এর বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর কর্তৃক একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালী এলাকা থেকে অপরাধীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও পরবর্তীতে ৪ জন অপরাধী দিনব্যাপী যৌথ বাহিনীর সাড়াশি অভিযান এবং গোয়েন্দা তৎপরতার ফলে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলা ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

‎পরবর্তীতে সকাল ৮.৪৫ ঘটিকায় বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে কুখ্যাত চোরাকারবারী এবং মানবপাচারকারীদের শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

‎নিম্নে থানায় হস্তান্তরকৃত চার জনের নাম ও ঠিকানা প্রদত্ত হলোঃ

‎ ক। মোঃ রফিকুল ইসলাম ওরফে নেদা কয়াল, পিতা-নওশাদ কয়াল, গ্রাম- সাহেবখালী, পোষ্ট-শৈলখালী, থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা।

‎ খ। মোঃ রেজাউল ইসলাম, পিতা-মৃত গোলাম রব্বানী, গ্রাম-পশ্চিম কৈখালী, পোষ্ট- শৈলখালী, থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা।

‎ গ। মোঃ হাফিজুর রহমান, পিতা-মৃত মুসা গাজী, গ্রাম-কৈখালী, পোষ্ট-শৈলখালী, থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা।

‎ ঘ। মোঃ আব্দুর রহিম, পিতা-সোলেমান গাজী, গ্রাম-পূর্ব কৈখালী, পোষ্ট-শৈলখালী, থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা।

‎উল্লেখ্য, উক্ত অপরাধীরা দীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ অস্ত্রসহ বিভিন্ন অবৈধ চোরাচালানী মালামাল, মানবপাচার এবং সুন্দরবন কেন্দ্রীক জলদস্যুতার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে। মানব পাচারকারীরা ১০-১২ হাজার টাকার বিনিময়ে মানব পাচার করতো বলে জানা যায়। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন এবং বিজিবি দীর্ঘদিন যাবৎ অপরাধীদের গ্রেফতার করার জন্য অভিযান পরিচালনা করে আসছিলো।

‎অপরাধীদের নামে শ্যামনগর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানা যায়।

‎পুলিশ কর্তৃক বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনের নিমিত্তে অপরাধীদের রিমান্ডে নেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

‎বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে শ্যামনগর উপজেলার কুখ্যাত চোরাচালানকারী এবং মানবপাচারকারী কালীগঞ্জ ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ ‎

Update Time : ০৯:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

 

‎গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ রাত ০০.৩ ঘটিকা হতে ভোর ০০.৬ ঘটিকা পর্যন্ত শ্যামনগর উপজেলায় কুখ্যাত চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করতে ১৭ নীল ডুমুর ব্যাটেলিয়ান এর বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর কর্তৃক একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালী এলাকা থেকে অপরাধীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও পরবর্তীতে ৪ জন অপরাধী দিনব্যাপী যৌথ বাহিনীর সাড়াশি অভিযান এবং গোয়েন্দা তৎপরতার ফলে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলা ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

‎পরবর্তীতে সকাল ৮.৪৫ ঘটিকায় বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে কুখ্যাত চোরাকারবারী এবং মানবপাচারকারীদের শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

‎নিম্নে থানায় হস্তান্তরকৃত চার জনের নাম ও ঠিকানা প্রদত্ত হলোঃ

‎ ক। মোঃ রফিকুল ইসলাম ওরফে নেদা কয়াল, পিতা-নওশাদ কয়াল, গ্রাম- সাহেবখালী, পোষ্ট-শৈলখালী, থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা।

‎ খ। মোঃ রেজাউল ইসলাম, পিতা-মৃত গোলাম রব্বানী, গ্রাম-পশ্চিম কৈখালী, পোষ্ট- শৈলখালী, থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা।

‎ গ। মোঃ হাফিজুর রহমান, পিতা-মৃত মুসা গাজী, গ্রাম-কৈখালী, পোষ্ট-শৈলখালী, থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা।

‎ ঘ। মোঃ আব্দুর রহিম, পিতা-সোলেমান গাজী, গ্রাম-পূর্ব কৈখালী, পোষ্ট-শৈলখালী, থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা।

‎উল্লেখ্য, উক্ত অপরাধীরা দীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ অস্ত্রসহ বিভিন্ন অবৈধ চোরাচালানী মালামাল, মানবপাচার এবং সুন্দরবন কেন্দ্রীক জলদস্যুতার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে। মানব পাচারকারীরা ১০-১২ হাজার টাকার বিনিময়ে মানব পাচার করতো বলে জানা যায়। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন এবং বিজিবি দীর্ঘদিন যাবৎ অপরাধীদের গ্রেফতার করার জন্য অভিযান পরিচালনা করে আসছিলো।

‎অপরাধীদের নামে শ্যামনগর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানা যায়।

‎পুলিশ কর্তৃক বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনের নিমিত্তে অপরাধীদের রিমান্ডে নেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।