০৮:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেনে নিন, আপনার ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের আওতাধীন প্রকল্প ও বরাদ্দের তালিকা

ডেক্স রিপোর্টঃ
  • Update Time : ০১:২০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / ৯২ Time View

 

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কাজের জন্য প্রতি বছর সরকার কর্তৃক তাদের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের হাতে থাকা প্রধান বরাদ্দ ও তহবিলের বিষয়গুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

১. উন্নয়নমূলক বরাদ্দ (Development Budget)

★এলজিএসপি (Local Governance Support Project – LGSP): বিশ্বব্যাংক ও সরকারের যৌথ অর্থায়নে ইউনিয়ন পরিষদের জন্য সবচেয়ে বড় অনুদান। এই অর্থ দিয়ে চেয়ারম্যান ও পরিষদ ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে নির্বাচিত প্রকল্প (রাস্তাঘাট, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) বাস্তবায়ন করেন।
★বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP Block Grant): সরকার থেকে বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটের একটি অংশ থোক বরাদ্দ হিসেবে দেওয়া হয়। এটি মূলত ক্ষুদ্র অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হয়।
★এডিপি (উন্নয়ন সহায়তা): ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা ব্যবহার নির্দেশিকা ২০২১ অনুযায়ী, শর্ত সাপেক্ষে মৌলিক থোক বরাদ্দ (বিবিজি) এবং দক্ষতা ভিত্তিক বরাদ্দ (পিবিজি) পাওয়া যায়।

২. সামাজিক নিরাপত্তা ও খাদ্য সহায়তা (VGD/VGF)

★ভিজিডি (VGD – Vulnerable Group Development): দুঃস্থ ও অসহায় নারীদের আত্মনির্ভরশীল করার জন্য প্রতি মাসে খাদ্য সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কার্ড বিতরণ।
★ভিজিএফ (VGF – Vulnerable Group Feeding): পবিত্র ঈদ বা দুর্যোগকালীন সময়ে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য (চাল/গম) সহায়তা।
★অন্যান্য ভাতা: বয়স্ক, বিধবা, ও প্রতিবন্ধী ভাতাভোগী বাছাই ও কার্ড বিতরণে চেয়ারম্যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

৩. দুর্যোগ ও ত্রাণ বরাদ্দ

★কাবিখা (Food for Works Program – FFWP): কাজের বিনিময়ে খাদ্য। গ্রামের রাস্তা, খাল বা কালভার্ট নির্মাণ/মেরামতে এই বরাদ্দ ব্যবহার করা হয়।
★কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা): কাজের বিনিময়ে নগদায়ন।
★টিআর (Test Relief – TR): গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য থোক বরাদ্দ (নগদ বা চাল)।

৪. নিজস্ব রাজস্ব তহবিল (Own Revenue Fund)

★ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ অনুযায়ী, চেয়ারম্যান নিজস্ব কর, রেট, ও ফি আদায়ের মাধ্যমে তহবিল তৈরি করেন।
★উৎস: ঘরবাড়ি বা হোল্ডিং ট্যাক্স, হাট-বাজার ইজারা, জন্ম নিবন্ধন ফি, ট্রেড লাইসেন্স ফি, এবং জলমহাল থেকে প্রাপ্ত অর্থ।

৫. অন্যান্য প্রশাসনিক ও বিশেষ দায়িত্ব

★গ্রাম পুলিশ তদারকি: গ্রাম পুলিশের বেতন ও পরিচালনা।
★শান্তি-শৃঙ্খলা ও বিচার: গ্রাম্য সালিশ বা স্থানীয় বিরোধ মীমাংসা করা।
★ডিজিটাল সেবা: ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের (UDC) মাধ্যমে ডিজিটাল সেবা তদারকি।

এক নজরে, চেয়ারম্যানের কাছে সাধারণত যে সকল বরাদ্দ থাকে:

১. বয়স্ক ভাতা
২. বিধবা ভাতা
৩. প্রতিবন্ধী ভাতা
৪. মাতৃত্বকালীন ভাতা
৫. দুস্থ মহিলা ভাতা
৬. ভিজিডি (VGD)
৭. ভিজিএফ (VGF)
৮. কর্মক্ষম দরিদ্র সহায়তা
৯. হতদরিদ্র ভাতা
১০. মুক্তিযোদ্ধা ভাতা
১১. অনগ্রসর জনগোষ্ঠী সহায়তা
১২. শিশু সহায়তা কর্মসূচি
১৩. কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য)
১৪. কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা)
১৫. ১০০ দিনের কর্মসূচি
১৬. টিআর (TR) কর্মসূচি
১৭. খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি
১৮. দরিদ্রদের কর্মসংস্থান প্রকল্প
১৯. মৌসুমি কর্মসংস্থান
২০. গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ
২১. শ্রমিক নিয়োগ প্রকল্প
২২. যুব কর্মসংস্থান সহায়তা
২৩. গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ
২৪. রাস্তা সংস্কার
২৫. ব্রিজ নির্মাণ
২৬. কালভার্ট নির্মাণ
২৭. ড্রেন নির্মাণ
২৮. বাজার উন্নয়ন
২৯. হাট উন্নয়ন
৩০. ঘাট নির্মাণ
৩১. খাল খনন
৩২. পুকুর খনন
৩৩. বাঁধ নির্মাণ
৩৪. পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা
৩৫. গ্রামীণ বিদ্যুৎ সহায়তা
৩৬. টিউবওয়েল স্থাপন
৩৭. গভীর নলকূপ
৩৮. স্যানিটারি ল্যাট্রিন বিতরণ
৩৯. পাবলিক টয়লেট
৪০. নিরাপদ পানি প্রকল্প
৪১. পানি সংরক্ষণ
৪২. ড্রেনেজ উন্নয়ন
৪৩. স্বাস্থ্য সচেতনতা
৪৪. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
৪৫. পরিচ্ছন্নতা অভিযান
৪৬. স্কুল মেরামত
৪৭. শিক্ষা সহায়তা
৪৮. উপবৃত্তি সহযোগিতা
৪৯. বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ
৫০. নারী ক্ষমতায়ন
৫১. মাদকবিরোধী কার্যক্রম
৫২. সচেতনতা সভা
৫৩. যুব উন্নয়ন
৫৪. সাংস্কৃতিক কার্যক্রম
৫৫. ক্রীড়া উন্নয়ন
৫৬. টিকাদান কর্মসূচি
৫৭. মা ও শিশু স্বাস্থ্য
৫৮. পরিবার পরিকল্পনা
৫৯. স্বাস্থ্য ক্যাম্প
৬০. পুষ্টি কর্মসূচি
৬১. কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা
৬২. স্যানিটেশন সচেতনতা
৬৩. রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম
৬৪. কৃষি প্রশিক্ষণ
৬৫. বীজ বিতরণ
৬৬. সার সহায়তা
৬৭. সেচ সুবিধা
৬৮. গাছ লাগানো
৬৯. বনায়ন
৭০. মৎস্য চাষ সহায়তা
৭১. প্রাণিসম্পদ সহায়তা
৭২. পরিবেশ সংরক্ষণ
৭৩. ত্রাণ বিতরণ
৭৪. বন্যা সহায়তা
৭৫. ঘূর্ণিঝড় সহায়তা
৭৬. আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা
৭৭. পুনর্বাসন প্রকল্প
৭৮. দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ
৭৯. ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার
৮০. জন্ম নিবন্ধন
৮১. মৃত্যু নিবন্ধন
৮২. নাগরিক সনদ প্রদান
৮৩. অনলাইন সেবা।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে থাকা সকল বরাদ্দ, প্রকল্প এবং কাজের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জানার অধিকার জনগণের শতভাগ রয়েছে। এটি বাংলাদেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী একটি নাগরিক অধিকার।

আইনগত ভিত্তি: স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ধারা ৭৮ অনুযায়ী, বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিকের পরিষদ সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, জানার অধিকার রয়েছে [১.৪.৪]।

উন্মুক্ত বাজেট সভা: আইনানুযায়ী, প্রতি অর্থবছর শুরু হওয়ার আগে ইউনিয়ন পরিষদকে জনগণের উপস্থিতিতে উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশন আহ্বান করে বাজেট পেশ করতে হয় [১.৫.৪]।

তথ্য প্রাপ্তির অধিকার: তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, দুর্নীতি এবং মানবধিকার সংক্রান্ত তথ্য যেকোনো সময় পাওয়ার অধিকার রয়েছে [১.৪.৭]।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

জেনে নিন, আপনার ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের আওতাধীন প্রকল্প ও বরাদ্দের তালিকা

Update Time : ০১:২০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

 

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কাজের জন্য প্রতি বছর সরকার কর্তৃক তাদের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের হাতে থাকা প্রধান বরাদ্দ ও তহবিলের বিষয়গুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

১. উন্নয়নমূলক বরাদ্দ (Development Budget)

★এলজিএসপি (Local Governance Support Project – LGSP): বিশ্বব্যাংক ও সরকারের যৌথ অর্থায়নে ইউনিয়ন পরিষদের জন্য সবচেয়ে বড় অনুদান। এই অর্থ দিয়ে চেয়ারম্যান ও পরিষদ ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে নির্বাচিত প্রকল্প (রাস্তাঘাট, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) বাস্তবায়ন করেন।
★বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP Block Grant): সরকার থেকে বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটের একটি অংশ থোক বরাদ্দ হিসেবে দেওয়া হয়। এটি মূলত ক্ষুদ্র অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হয়।
★এডিপি (উন্নয়ন সহায়তা): ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা ব্যবহার নির্দেশিকা ২০২১ অনুযায়ী, শর্ত সাপেক্ষে মৌলিক থোক বরাদ্দ (বিবিজি) এবং দক্ষতা ভিত্তিক বরাদ্দ (পিবিজি) পাওয়া যায়।

২. সামাজিক নিরাপত্তা ও খাদ্য সহায়তা (VGD/VGF)

★ভিজিডি (VGD – Vulnerable Group Development): দুঃস্থ ও অসহায় নারীদের আত্মনির্ভরশীল করার জন্য প্রতি মাসে খাদ্য সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কার্ড বিতরণ।
★ভিজিএফ (VGF – Vulnerable Group Feeding): পবিত্র ঈদ বা দুর্যোগকালীন সময়ে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য (চাল/গম) সহায়তা।
★অন্যান্য ভাতা: বয়স্ক, বিধবা, ও প্রতিবন্ধী ভাতাভোগী বাছাই ও কার্ড বিতরণে চেয়ারম্যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

৩. দুর্যোগ ও ত্রাণ বরাদ্দ

★কাবিখা (Food for Works Program – FFWP): কাজের বিনিময়ে খাদ্য। গ্রামের রাস্তা, খাল বা কালভার্ট নির্মাণ/মেরামতে এই বরাদ্দ ব্যবহার করা হয়।
★কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা): কাজের বিনিময়ে নগদায়ন।
★টিআর (Test Relief – TR): গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য থোক বরাদ্দ (নগদ বা চাল)।

৪. নিজস্ব রাজস্ব তহবিল (Own Revenue Fund)

★ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ অনুযায়ী, চেয়ারম্যান নিজস্ব কর, রেট, ও ফি আদায়ের মাধ্যমে তহবিল তৈরি করেন।
★উৎস: ঘরবাড়ি বা হোল্ডিং ট্যাক্স, হাট-বাজার ইজারা, জন্ম নিবন্ধন ফি, ট্রেড লাইসেন্স ফি, এবং জলমহাল থেকে প্রাপ্ত অর্থ।

৫. অন্যান্য প্রশাসনিক ও বিশেষ দায়িত্ব

★গ্রাম পুলিশ তদারকি: গ্রাম পুলিশের বেতন ও পরিচালনা।
★শান্তি-শৃঙ্খলা ও বিচার: গ্রাম্য সালিশ বা স্থানীয় বিরোধ মীমাংসা করা।
★ডিজিটাল সেবা: ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের (UDC) মাধ্যমে ডিজিটাল সেবা তদারকি।

এক নজরে, চেয়ারম্যানের কাছে সাধারণত যে সকল বরাদ্দ থাকে:

১. বয়স্ক ভাতা
২. বিধবা ভাতা
৩. প্রতিবন্ধী ভাতা
৪. মাতৃত্বকালীন ভাতা
৫. দুস্থ মহিলা ভাতা
৬. ভিজিডি (VGD)
৭. ভিজিএফ (VGF)
৮. কর্মক্ষম দরিদ্র সহায়তা
৯. হতদরিদ্র ভাতা
১০. মুক্তিযোদ্ধা ভাতা
১১. অনগ্রসর জনগোষ্ঠী সহায়তা
১২. শিশু সহায়তা কর্মসূচি
১৩. কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য)
১৪. কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা)
১৫. ১০০ দিনের কর্মসূচি
১৬. টিআর (TR) কর্মসূচি
১৭. খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি
১৮. দরিদ্রদের কর্মসংস্থান প্রকল্প
১৯. মৌসুমি কর্মসংস্থান
২০. গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ
২১. শ্রমিক নিয়োগ প্রকল্প
২২. যুব কর্মসংস্থান সহায়তা
২৩. গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ
২৪. রাস্তা সংস্কার
২৫. ব্রিজ নির্মাণ
২৬. কালভার্ট নির্মাণ
২৭. ড্রেন নির্মাণ
২৮. বাজার উন্নয়ন
২৯. হাট উন্নয়ন
৩০. ঘাট নির্মাণ
৩১. খাল খনন
৩২. পুকুর খনন
৩৩. বাঁধ নির্মাণ
৩৪. পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা
৩৫. গ্রামীণ বিদ্যুৎ সহায়তা
৩৬. টিউবওয়েল স্থাপন
৩৭. গভীর নলকূপ
৩৮. স্যানিটারি ল্যাট্রিন বিতরণ
৩৯. পাবলিক টয়লেট
৪০. নিরাপদ পানি প্রকল্প
৪১. পানি সংরক্ষণ
৪২. ড্রেনেজ উন্নয়ন
৪৩. স্বাস্থ্য সচেতনতা
৪৪. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
৪৫. পরিচ্ছন্নতা অভিযান
৪৬. স্কুল মেরামত
৪৭. শিক্ষা সহায়তা
৪৮. উপবৃত্তি সহযোগিতা
৪৯. বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ
৫০. নারী ক্ষমতায়ন
৫১. মাদকবিরোধী কার্যক্রম
৫২. সচেতনতা সভা
৫৩. যুব উন্নয়ন
৫৪. সাংস্কৃতিক কার্যক্রম
৫৫. ক্রীড়া উন্নয়ন
৫৬. টিকাদান কর্মসূচি
৫৭. মা ও শিশু স্বাস্থ্য
৫৮. পরিবার পরিকল্পনা
৫৯. স্বাস্থ্য ক্যাম্প
৬০. পুষ্টি কর্মসূচি
৬১. কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা
৬২. স্যানিটেশন সচেতনতা
৬৩. রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম
৬৪. কৃষি প্রশিক্ষণ
৬৫. বীজ বিতরণ
৬৬. সার সহায়তা
৬৭. সেচ সুবিধা
৬৮. গাছ লাগানো
৬৯. বনায়ন
৭০. মৎস্য চাষ সহায়তা
৭১. প্রাণিসম্পদ সহায়তা
৭২. পরিবেশ সংরক্ষণ
৭৩. ত্রাণ বিতরণ
৭৪. বন্যা সহায়তা
৭৫. ঘূর্ণিঝড় সহায়তা
৭৬. আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা
৭৭. পুনর্বাসন প্রকল্প
৭৮. দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ
৭৯. ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার
৮০. জন্ম নিবন্ধন
৮১. মৃত্যু নিবন্ধন
৮২. নাগরিক সনদ প্রদান
৮৩. অনলাইন সেবা।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে থাকা সকল বরাদ্দ, প্রকল্প এবং কাজের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জানার অধিকার জনগণের শতভাগ রয়েছে। এটি বাংলাদেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী একটি নাগরিক অধিকার।

আইনগত ভিত্তি: স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ধারা ৭৮ অনুযায়ী, বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিকের পরিষদ সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, জানার অধিকার রয়েছে [১.৪.৪]।

উন্মুক্ত বাজেট সভা: আইনানুযায়ী, প্রতি অর্থবছর শুরু হওয়ার আগে ইউনিয়ন পরিষদকে জনগণের উপস্থিতিতে উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশন আহ্বান করে বাজেট পেশ করতে হয় [১.৫.৪]।

তথ্য প্রাপ্তির অধিকার: তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, দুর্নীতি এবং মানবধিকার সংক্রান্ত তথ্য যেকোনো সময় পাওয়ার অধিকার রয়েছে [১.৪.৭]।