০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলঢাকায় বাসের চাপায় প্রাণ গেল নারীর, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে মোটরসাইকেল চালক

ভবদিশ চন্দ্র, জলঢাকা, (নীলফামারী)প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৭:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • / ১৫২ Time View

 

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় বাসের চাপায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার কাঁঠালী ইউনিয়নের চৌধুরীরহাট বাজার সংলগ্ন পাকা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমি রানী রায় (৩৫) পশ্চিম শিমুলবাড়ী শাল্টিতলা এলাকার শ্যামল চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। গুরুতর আহত স্বপন রায় (৩০) ডোমার উপজেলার বোরাগাড়ী এলাকার বিপিন রায়ের ছেলে।

পুলিশ জানায়, সুমি রানী রায় তার ভাগ্নে জামাই স্বপন রায়ের মোটরসাইকেলে করে নীলফামারী সদর উপজেলার উত্তরা ইপিজেডে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে চৌধুরীরহাট বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকা থেকে মীরগঞ্জগামী ‘মায়ের দোয়া’ নৈশ কোচের মুখোমুখি হলে মোটরসাইকেল চালক ব্রেক করেন। এ সময় সড়কে ছড়িয়ে থাকা বালুর কারণে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছলে যায়। চালক রাস্তার বাম পাশে পড়ে গেলেও সুমি রানী রায় ডান পাশে ছিটকে পড়েন। ঠিক সেই মুহূর্তে দ্রুতগতির বাসটির পেছনের চাকার নিচে তার মাথা পিষ্ট হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা গুরুতর আহত স্বপন রায়কে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

খবর পেয়ে জলঢাকা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে।

জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজমুল আলম জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

জলঢাকায় বাসের চাপায় প্রাণ গেল নারীর, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে মোটরসাইকেল চালক

Update Time : ০৭:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

 

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় বাসের চাপায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার কাঁঠালী ইউনিয়নের চৌধুরীরহাট বাজার সংলগ্ন পাকা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমি রানী রায় (৩৫) পশ্চিম শিমুলবাড়ী শাল্টিতলা এলাকার শ্যামল চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। গুরুতর আহত স্বপন রায় (৩০) ডোমার উপজেলার বোরাগাড়ী এলাকার বিপিন রায়ের ছেলে।

পুলিশ জানায়, সুমি রানী রায় তার ভাগ্নে জামাই স্বপন রায়ের মোটরসাইকেলে করে নীলফামারী সদর উপজেলার উত্তরা ইপিজেডে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে চৌধুরীরহাট বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকা থেকে মীরগঞ্জগামী ‘মায়ের দোয়া’ নৈশ কোচের মুখোমুখি হলে মোটরসাইকেল চালক ব্রেক করেন। এ সময় সড়কে ছড়িয়ে থাকা বালুর কারণে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছলে যায়। চালক রাস্তার বাম পাশে পড়ে গেলেও সুমি রানী রায় ডান পাশে ছিটকে পড়েন। ঠিক সেই মুহূর্তে দ্রুতগতির বাসটির পেছনের চাকার নিচে তার মাথা পিষ্ট হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা গুরুতর আহত স্বপন রায়কে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

খবর পেয়ে জলঢাকা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে।

জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজমুল আলম জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।