০২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্যালিকা ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি রাফসান কতৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের ক্ষোভ

সুমন চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি:
  • Update Time : ০৮:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৩৮ Time View

 

• ধর্ষণ মামলার ১মাস অতিবাহিত হলেও গ্রেফতার হয়নি লম্পট ডাক্তার রাফসান জানি।

 

মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা: রাফসান জানি কতৃক ধর্ষণের শিকার নিজের শ্যালিকা সামিয়া আফরোজের মণিরামপুর থানাতে মামলা হওয়ার ১ মাস হলেও লম্পট ডাক্তার রাফসানকে আটক বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে মণিরামপুর থানা পুলিশে। এ ধরনের ঘটনায় আইনের ফাঁক গলে পালিয়ে থাকায় তার সাহস বেড়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা ও গণমাধ্যমকর্মীরা। পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি এখনো জানা যায়নি। তবে পলাতক আসামি কতৃক ১০ সাংবাদিকের নামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা নিয়ে ফুঁসে উঠেছে দেশের শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠনগুলো। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো সাংবাদিক সংগঠন গুলোর দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধর্ষক ডাক্তার রাফসান জানি দ্রুত আটক না হলে এবং মিথ্যা মামলা থেকে সকল সাংবাদিকদের অব্যাহতি না দিলে দেশব্যাপী রাস্তায় নামবে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য যে, গত ১৭ মার্চ ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী সামিয়া আফরোজ নিজে বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় নিজ দুলাভাই ডাক্তার রাফসান জানির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন। অভিযুক্ত রাফসান জানি ৪৮তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে মণিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন। তিনি যশোর সদর উপজেলার ঘুরুলিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
মণিরামপুর থানার মামলার এজাহারের সূত্রমতে, ভুক্তভোগী তরুণী লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার বাসিন্দা এবং রংপুরের একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। ২০২০ সালের শেষের দিকে তার মেজো বোন সাজেদা আফরোজ অন্তঃসত্ত্বা হলে তাকে দেখভালের জন্য ভগ্নিপতি রাফসান জানি যশোর শহরের উপশহর এলাকার ভাড়া বাসায় নিয়ে আসেন। বাসায় পড়ানোর ছলে রাফসান তাকে নিয়মিত কুপ্রস্তাব দিতেন এবং খাতায় আপত্তিকর কথাবার্তা লিখতেন। বিষয়টি বোনকে জানালেও সংসার টিকিয়ে রাখতে তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি। পরবর্তীতে বোন চাকরিতে যোগ দিলে বাসায় একা পেয়ে রাফসান তাকে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করেন। একপর্যায়ে তরুণী তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের ভিডিও জবানবন্দিতে জানান, নিজের সুবিধা অনুযায়ী রাফসান তাকে যশোরের একটি হোস্টেলে পাঠিয়ে দেন এবং বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে নিয়ে যেতেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মণিরামপুর শহরের মোহনপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে তারা ‘স্বামী-স্ত্রী’ পরিচয়ে তিন মাস অবস্থান করেন। সে সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বারবার ধর্ষণের পাশাপাশি রাফসান তার মোবাইলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রাখেন। ২০২৬ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর থেকেই রাফসান তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। বর্তমানে ওই ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে তরুণীকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। বাধ্য হয়ে প্রথমে হাতিবান্ধায় জিডি, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ ও পরে মণিরামপুর থানায় মামলা করেন ধর্ষণের শিকার সামিয়া।
এরপর নিরাপত্তার জন্য সামিয়া আফরোজ পুলিশের সহযোগিতায় মণিরামপুর থেকে যশোরে পুলিশ শেল্টার হোমে থাকেন। সাংবাদিকেরা অসহায় সামিয়ার পাশে থেকে একাধিক নিউজ ও রাসফানের বিরুদ্ধে একাধিক প্রমাণ তুলে ধরেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে। উল্লেখযোগ্য প্রমাণের মধ্যে রয়েছে, সামিয়া আফরোজ কতৃক সাংবাদিকদের দেওয়া অসংখ্য ছবি ও ভিডিও, হাতিবান্ধা থানায় অভিযোগের কপি, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগের কপি, সামিয়া আফরোজের মায়ের ভিডিও জবানবন্দি, পারবারিক ভাবে রাফসানের পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার ভিডিও, রাফসান বিনা ছুটিতে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ‘মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএসও’র কল রেকর্ড সহ একাধিক তথ্য।
ডাক্তার রাফসানের সর্বশেষ খবর জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফাইয়াজ আহমদ ফয়সাল সাংবাদিক সুমন চক্রবর্তীকে বলেন, ঘটনার পর থেকে বিনা ছুটিতে ডাক্তার রাফসান অনুপস্থিত রয়েছেন। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং আমাদের উর্ধতন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবগত করা হয়েছে।

এব্যাপারে মণিরামপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) বলেন, আমাদের তদন্ত সম্পূর্ণ চলমান রয়েছে, ডাক্তার রাফসান জানিকে আটকের চেষ্টা করছে মণিরামপুর থানা পুলিশ। কিন্তু তাকে পাওয়া যাচ্ছে না, সে পলাতক আছে।

মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, ধর্ষণের শিকার অসহায় নারী সামিয়া আফরোজকে সহযোগিতা করার জন্য লম্পট ডাক্তার রাফসান নিজেকে বাঁচানোর যশোর-অভয়নগরের সাংবাদিক সহ আমাকে এবং মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সুমন চক্রবর্তী, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নূর ইসলাম, সহ-সভাপতি এস এম তাজাম্মুল, প্রচার সম্পাদক তহিদুল ইসলামের নামেও মিথ্যা মামলা করেছেন। তবে আমরা একতাবদ্ধ কলম সৈনিকেরা সবসময়ই নির্যাতিতার পক্ষে থেকেছি এবং ডাক্তার রাফসানকে অনতিবিলম্বে আটকের জোর দাবী জানাচ্ছি। অন্যথায় মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে লম্পট ডাক্তার রাফসানের আটকে গড়িমসির জন্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হবে।
ইতিমধ্যে সাংবাদিকদের নিয়ে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনে চাঁদাবাজ দাবী করার জন্য ডিবিসি নিউজ ও ডেইলি অবজারভারের যশোর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক সাকিকুল কবীর রিটন ডাক্তার রাফসান জানির বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার মানহানীর মামলা করেছেন।
চলমান দুইটা মামলার আসামী এখনো পর্যন্ত আটক না হওয়াতে ফুঁসে উঠেছে সাংবাদিক সমাজ। এ ব্যাপারে  বাংলাদেশ বার্তা সোসাইটি (বিবিএস) সহ যশোর-মণিরামপুর ও দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক সাংবাদিক সংগঠন ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অতি দ্রুত লম্পট ডাক্তার রাফসানকে গ্রেফতারের জোর দাবী জানিয়েছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শ্যালিকা ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি রাফসান কতৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের ক্ষোভ

Update Time : ০৮:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

 

• ধর্ষণ মামলার ১মাস অতিবাহিত হলেও গ্রেফতার হয়নি লম্পট ডাক্তার রাফসান জানি।

 

মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা: রাফসান জানি কতৃক ধর্ষণের শিকার নিজের শ্যালিকা সামিয়া আফরোজের মণিরামপুর থানাতে মামলা হওয়ার ১ মাস হলেও লম্পট ডাক্তার রাফসানকে আটক বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে মণিরামপুর থানা পুলিশে। এ ধরনের ঘটনায় আইনের ফাঁক গলে পালিয়ে থাকায় তার সাহস বেড়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা ও গণমাধ্যমকর্মীরা। পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি এখনো জানা যায়নি। তবে পলাতক আসামি কতৃক ১০ সাংবাদিকের নামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা নিয়ে ফুঁসে উঠেছে দেশের শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠনগুলো। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো সাংবাদিক সংগঠন গুলোর দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধর্ষক ডাক্তার রাফসান জানি দ্রুত আটক না হলে এবং মিথ্যা মামলা থেকে সকল সাংবাদিকদের অব্যাহতি না দিলে দেশব্যাপী রাস্তায় নামবে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য যে, গত ১৭ মার্চ ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী সামিয়া আফরোজ নিজে বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় নিজ দুলাভাই ডাক্তার রাফসান জানির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন। অভিযুক্ত রাফসান জানি ৪৮তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে মণিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন। তিনি যশোর সদর উপজেলার ঘুরুলিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
মণিরামপুর থানার মামলার এজাহারের সূত্রমতে, ভুক্তভোগী তরুণী লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার বাসিন্দা এবং রংপুরের একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। ২০২০ সালের শেষের দিকে তার মেজো বোন সাজেদা আফরোজ অন্তঃসত্ত্বা হলে তাকে দেখভালের জন্য ভগ্নিপতি রাফসান জানি যশোর শহরের উপশহর এলাকার ভাড়া বাসায় নিয়ে আসেন। বাসায় পড়ানোর ছলে রাফসান তাকে নিয়মিত কুপ্রস্তাব দিতেন এবং খাতায় আপত্তিকর কথাবার্তা লিখতেন। বিষয়টি বোনকে জানালেও সংসার টিকিয়ে রাখতে তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি। পরবর্তীতে বোন চাকরিতে যোগ দিলে বাসায় একা পেয়ে রাফসান তাকে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করেন। একপর্যায়ে তরুণী তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের ভিডিও জবানবন্দিতে জানান, নিজের সুবিধা অনুযায়ী রাফসান তাকে যশোরের একটি হোস্টেলে পাঠিয়ে দেন এবং বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে নিয়ে যেতেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মণিরামপুর শহরের মোহনপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে তারা ‘স্বামী-স্ত্রী’ পরিচয়ে তিন মাস অবস্থান করেন। সে সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বারবার ধর্ষণের পাশাপাশি রাফসান তার মোবাইলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রাখেন। ২০২৬ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর থেকেই রাফসান তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। বর্তমানে ওই ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে তরুণীকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। বাধ্য হয়ে প্রথমে হাতিবান্ধায় জিডি, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ ও পরে মণিরামপুর থানায় মামলা করেন ধর্ষণের শিকার সামিয়া।
এরপর নিরাপত্তার জন্য সামিয়া আফরোজ পুলিশের সহযোগিতায় মণিরামপুর থেকে যশোরে পুলিশ শেল্টার হোমে থাকেন। সাংবাদিকেরা অসহায় সামিয়ার পাশে থেকে একাধিক নিউজ ও রাসফানের বিরুদ্ধে একাধিক প্রমাণ তুলে ধরেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে। উল্লেখযোগ্য প্রমাণের মধ্যে রয়েছে, সামিয়া আফরোজ কতৃক সাংবাদিকদের দেওয়া অসংখ্য ছবি ও ভিডিও, হাতিবান্ধা থানায় অভিযোগের কপি, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগের কপি, সামিয়া আফরোজের মায়ের ভিডিও জবানবন্দি, পারবারিক ভাবে রাফসানের পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার ভিডিও, রাফসান বিনা ছুটিতে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ‘মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএসও’র কল রেকর্ড সহ একাধিক তথ্য।
ডাক্তার রাফসানের সর্বশেষ খবর জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফাইয়াজ আহমদ ফয়সাল সাংবাদিক সুমন চক্রবর্তীকে বলেন, ঘটনার পর থেকে বিনা ছুটিতে ডাক্তার রাফসান অনুপস্থিত রয়েছেন। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং আমাদের উর্ধতন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবগত করা হয়েছে।

এব্যাপারে মণিরামপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) বলেন, আমাদের তদন্ত সম্পূর্ণ চলমান রয়েছে, ডাক্তার রাফসান জানিকে আটকের চেষ্টা করছে মণিরামপুর থানা পুলিশ। কিন্তু তাকে পাওয়া যাচ্ছে না, সে পলাতক আছে।

মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, ধর্ষণের শিকার অসহায় নারী সামিয়া আফরোজকে সহযোগিতা করার জন্য লম্পট ডাক্তার রাফসান নিজেকে বাঁচানোর যশোর-অভয়নগরের সাংবাদিক সহ আমাকে এবং মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সুমন চক্রবর্তী, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নূর ইসলাম, সহ-সভাপতি এস এম তাজাম্মুল, প্রচার সম্পাদক তহিদুল ইসলামের নামেও মিথ্যা মামলা করেছেন। তবে আমরা একতাবদ্ধ কলম সৈনিকেরা সবসময়ই নির্যাতিতার পক্ষে থেকেছি এবং ডাক্তার রাফসানকে অনতিবিলম্বে আটকের জোর দাবী জানাচ্ছি। অন্যথায় মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে লম্পট ডাক্তার রাফসানের আটকে গড়িমসির জন্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হবে।
ইতিমধ্যে সাংবাদিকদের নিয়ে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনে চাঁদাবাজ দাবী করার জন্য ডিবিসি নিউজ ও ডেইলি অবজারভারের যশোর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক সাকিকুল কবীর রিটন ডাক্তার রাফসান জানির বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার মানহানীর মামলা করেছেন।
চলমান দুইটা মামলার আসামী এখনো পর্যন্ত আটক না হওয়াতে ফুঁসে উঠেছে সাংবাদিক সমাজ। এ ব্যাপারে  বাংলাদেশ বার্তা সোসাইটি (বিবিএস) সহ যশোর-মণিরামপুর ও দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক সাংবাদিক সংগঠন ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অতি দ্রুত লম্পট ডাক্তার রাফসানকে গ্রেফতারের জোর দাবী জানিয়েছেন।