০৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শালিখায় নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে সাবেক বিএনপির সভাপতির বৈঠকে স্হানীয় বিএনপির হামলায় আহত-২

সুজয় কুমার বিশ্বাস,, শালিখা,,, মাগুরা
  • Update Time : ০৭:৩১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১৬৫ Time View

 

মাগুরা শালিখায় বিএনপির সাবেক সভাপতির সাথে স্হানীয় বিএনপির সংঘর্ষে অন্তত ২ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) শালিখা উপজেলার বুনাগাতি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শালিখা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া। স্হানীয়দের দাবি করেছে, এটি রাজনৈতিক সংঘর্ষ নয় বরং স্থানীয় বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর সমর্থক সাবেক বুনাগাতি ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুনাগাতি বাজারে তার নিজ অফিসে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বুনাগাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক কবীর মোল্লা,৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল মোল্লাসহ আরো ৫/৬ জন আওয়ামী লীগের কর্মীর সাথে মিটিং করছিল। এ খবর প্রতিপক্ষ কাজী কামাল গ্রুপের লোকজন জানতে পারে। তখন বুনাগাতি ইউনিয়ন বিএনপির লোকজন মিছিল নিয়ে তাদের উপর হামলা করে। হামলায় করার আগেই কয়েক জন পালিয়ে গেলেও সিদ্দিকুর রহমান ও কবীর মোল্লাকে মিছিলকারিরা মারধর করে এবং অফিস ভাংচুর করে।হামলায় দুজনই আহত হয়।পরে স্হানীয়রা উদ্ধার করে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা বাড়িতে চলে আসে।

শালিখা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত ২ জনকে উদ্ধার করে স্হানীয়রা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। তাদের মধ্যে কেউ অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে,বর্তমান পরিস্হিতি স্বাভাবিক।

এ ঘটনার বিষয়ে মাগুরা জেলা যুবদলের সহ- সভাপতি কায়জার হোসেন বলেন, সিদ্দিকুর রহমান বিএনপি দল করলেও সে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লোকের সাথে আতাত করে দীর্ঘদিন ধরে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে যাচ্ছে। গতকাল লোকজন নিয়ে মিটিং করতেছিল এটা স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের মধ্যে জানাজানি হলে পরবর্তীতে এই বিষয়টা ঘটে।

সিদ্দিকুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে ফোনটা কেটে দেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শালিখায় নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে সাবেক বিএনপির সভাপতির বৈঠকে স্হানীয় বিএনপির হামলায় আহত-২

Update Time : ০৭:৩১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

 

মাগুরা শালিখায় বিএনপির সাবেক সভাপতির সাথে স্হানীয় বিএনপির সংঘর্ষে অন্তত ২ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) শালিখা উপজেলার বুনাগাতি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শালিখা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া। স্হানীয়দের দাবি করেছে, এটি রাজনৈতিক সংঘর্ষ নয় বরং স্থানীয় বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর সমর্থক সাবেক বুনাগাতি ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুনাগাতি বাজারে তার নিজ অফিসে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বুনাগাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক কবীর মোল্লা,৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল মোল্লাসহ আরো ৫/৬ জন আওয়ামী লীগের কর্মীর সাথে মিটিং করছিল। এ খবর প্রতিপক্ষ কাজী কামাল গ্রুপের লোকজন জানতে পারে। তখন বুনাগাতি ইউনিয়ন বিএনপির লোকজন মিছিল নিয়ে তাদের উপর হামলা করে। হামলায় করার আগেই কয়েক জন পালিয়ে গেলেও সিদ্দিকুর রহমান ও কবীর মোল্লাকে মিছিলকারিরা মারধর করে এবং অফিস ভাংচুর করে।হামলায় দুজনই আহত হয়।পরে স্হানীয়রা উদ্ধার করে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা বাড়িতে চলে আসে।

শালিখা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত ২ জনকে উদ্ধার করে স্হানীয়রা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। তাদের মধ্যে কেউ অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে,বর্তমান পরিস্হিতি স্বাভাবিক।

এ ঘটনার বিষয়ে মাগুরা জেলা যুবদলের সহ- সভাপতি কায়জার হোসেন বলেন, সিদ্দিকুর রহমান বিএনপি দল করলেও সে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লোকের সাথে আতাত করে দীর্ঘদিন ধরে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে যাচ্ছে। গতকাল লোকজন নিয়ে মিটিং করতেছিল এটা স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের মধ্যে জানাজানি হলে পরবর্তীতে এই বিষয়টা ঘটে।

সিদ্দিকুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে ফোনটা কেটে দেন।