০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিকরগাছায় চায়না দুয়ারী জালসহ বিপুল অবৈধ জাল উচ্ছেদ

ঝিকরগাছা পতিনিধি
  • Update Time : ০৫:২৫:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / ২৭ Time View

 

যশোরের ঝিকরগাছায় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাছ ধরার জাল উচ্ছেদ ও বিনষ্ট করা হয়েছে।

 

সোমবার (২৭ জুলাই) ঝিকরগাছা উপজেলার শিমুলিয়া ও গংগানন্দপুর ইউনিয়নের চারটি স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ২ হাজার মিটার চায়না দুয়ারী জাল, ২৫০ মিটার কারেন্ট জাল ও ১৫০ মিটার নেট পাটা উচ্ছেদ করা হয়। পরে উদ্ধার করা এসব অবৈধ জাল ঘটনাস্থলে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

 

অভিযান পরিচালনা করেন ঝিকরগাছা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা (অ.দা.) মো. নান্নু রেজা। এ সময় ঝিকরগাছা থানার সাব-ইন্সপেক্টর তাপস কুমার রায়, পুলিশ ফোর্স ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের অন্যান্য কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, অবৈধ ও ক্ষতিকর জালের ব্যবহারের ফলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে চায়না দুয়ারী, কারেন্ট জাল ও নেট পাটায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা ও জলজ প্রাণী নির্বিচারে আটকা পড়ে।

 

প্রাকৃতিক জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ঝিকরগাছায় চায়না দুয়ারী জালসহ বিপুল অবৈধ জাল উচ্ছেদ

Update Time : ০৫:২৫:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

 

যশোরের ঝিকরগাছায় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাছ ধরার জাল উচ্ছেদ ও বিনষ্ট করা হয়েছে।

 

সোমবার (২৭ জুলাই) ঝিকরগাছা উপজেলার শিমুলিয়া ও গংগানন্দপুর ইউনিয়নের চারটি স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ২ হাজার মিটার চায়না দুয়ারী জাল, ২৫০ মিটার কারেন্ট জাল ও ১৫০ মিটার নেট পাটা উচ্ছেদ করা হয়। পরে উদ্ধার করা এসব অবৈধ জাল ঘটনাস্থলে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

 

অভিযান পরিচালনা করেন ঝিকরগাছা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা (অ.দা.) মো. নান্নু রেজা। এ সময় ঝিকরগাছা থানার সাব-ইন্সপেক্টর তাপস কুমার রায়, পুলিশ ফোর্স ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের অন্যান্য কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, অবৈধ ও ক্ষতিকর জালের ব্যবহারের ফলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে চায়না দুয়ারী, কারেন্ট জাল ও নেট পাটায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা ও জলজ প্রাণী নির্বিচারে আটকা পড়ে।

 

প্রাকৃতিক জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর।