মনিরামপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বী এক ব্যক্তিকে মেরে বিএনপির ইমেজকে সংকটে ফেলছেন ছাত্রদল নেতা রেজওয়ান
- Update Time : ১০:৫০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
- / ৮৬০ Time View

যশোর মনিরামপুরের কাশিমনগর ইউনিয়নে তন্ময় দাস সজিব নামে এক সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিকে মেরে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে মনিরামপুর কাশিমনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের অবাধ্য নেতা রেজওয়ান এর বিরুদ্ধে।
সারা দেশে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের ‘অবাধ্য’ নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের স্তূপ পড়েছে দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে। হাই কমান্ডের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের পরও
স্বনামধন্য বিএনপি’র ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে চলেছে সারাদেশে অবাধ্য নেতকর্মীরা। অনুসন্ধানে জানা গেছে ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার কাশিমনগর ইউনিয়নের ছাত্রদলের নেতা পরিচয় দিয়ে একের পর এক নারি কেলেঙ্কারি, হামলা, দখল, অর্থ দাবি, আধিপত্য বিস্তার এবং দলীয় নির্দেশনা অমান্য করাসহ সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পাহাড় জমেছে মনিরামপুর কাশিমনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের অবাধ্য ছাত্রদল নেতা রেজওয়ান এর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীর বক্তব্য ও অভিযোগ পত্র পর্যালোচনা করে জানা গেছে ছাত্রদল নেতা রেজোয়ান কর্তৃক একটি পরকীয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৭ই মার্চ সন্ধ্যায় কালার হাট বাজার ইউসুফ ভাইয়ের সেলুনের দোকানে সনাতন ধর্মাবলম্বী তন্ময় দাস সজিব কে আটকে রেখে ছাত্রদল নেতা রেজওয়ান তার সঙ্গপঙ্গ সঙ্গে নিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে, এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী তন্ময় দাস অজ্ঞান হয়ে গেলে তার মোবাইল ও মোটরসাইকেলের চাবি ছিনতাই করে নিয়ে যায়,এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তনময় দাস এর পরিবার ঘটনাটি জানার পরে মোটরসাইকেলের চাবি ও মোবাইল চাইতে গেলে ছাত্রদল নেতা রেজওয়ান ৫৫ হাজার টাকা চাদাদাবি করেছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী তন্ময় দাস সজিব।
এ ব্যাপারে স্থানীয় বিএনপির একটি সূত্র নিশ্চিত করে জানিয়েছেন (তথ্য আমাদের অফিসের ডেক্সে সংরক্ষিত) ছাত্রদল নেতা পরিচয় দেওয়া রেজওয়ান মূলত মনিরামপুর কাশিমনগর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান এর ইন্দনে একের পর এক এ ধরনের নানা অপকর্ম করে স্বনামধন্য জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ইমেজকে চরমভাবে ক্ষুন্ন করে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করে চলেছে, এদিকে ভুক্তভোগী সনাতন ধর্মাবলম্বী তন্ময় দাস সজিব, বিএনপির দলীয় ঊর্ধ্বতন নেতাকর্মীদের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের বক্তব্য নিতে ফোন কলে বারবার চেষ্টা করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।





















