০৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে ভাটায় মাটি পরিবহনে সড়কে কাদা: জনদুর্ভোগ চরমে, বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
  • Update Time : ১১:১২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • / ৯৮ Time View

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ১০ নম্বর সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে ইটভাটার মাটি বহনের কারণে গ্রামীণ প্রধান সড়কটি এখন জনদুর্ভোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইউনিয়নের আলম ভাটায় ট্রলি ও ড্রাম ট্রাকে করে মাটি পরিবহনের সময় সড়কে বিপুল পরিমাণ মাটি ছিটকে পড়ে। আজ শনিবার (৪ জুলাই) সকালে হালকা বৃষ্টির পর সেই মাটি গলে গিয়ে পুরো সড়কটি এক হাঁটু কাদায় পরিণত হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১০টায় সরজমিনে দেখা যায়, সড়কের পিচ ও খোয়া মাটির নিচে ঢাকা পড়েছে। পিচ্ছিল কাদার কারণে মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, ভ্যানসহ সব ধরনের যানবাহন চালকেরা চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন মোটরসাইকেল আরোহী ও পথচারী পিছলে পড়ে আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে এই মাটি ও ধুলার কারণে সড়কে চলাচল করা দায় হয়ে পড়ে। আর বর্ষা বা সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটি যেন কাদার নদীতে রূপ নেয়। দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা চললেও ইটভাটা কর্তৃপক্ষ রাস্তা পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। শুধু তাই নয়, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ও গ্রামীণ সড়ক ব্যবহার করে এভাবে মাটি বহনের ফলে রাস্তাটির স্থায়ী ক্ষতি হচ্ছে। তীব্র জনদুর্ভোগের মুখে পড়ার পর এলাকাবাসী এখন এই ইটভাটার বৈধ কাগজপত্র ও পরিবেশগত ছাড়পত্র আছে কিনা, তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন।

ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা জনস্বার্থে এই সংকটের দ্রুত স্থায়ী সমাধান চান। সড়কটি যানচলাচলের উপযোগী করতে এবং অবৈধভাবে সড়ক নোংরা করার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কেশবপুরে ভাটায় মাটি পরিবহনে সড়কে কাদা: জনদুর্ভোগ চরমে, বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

Update Time : ১১:১২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ১০ নম্বর সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে ইটভাটার মাটি বহনের কারণে গ্রামীণ প্রধান সড়কটি এখন জনদুর্ভোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইউনিয়নের আলম ভাটায় ট্রলি ও ড্রাম ট্রাকে করে মাটি পরিবহনের সময় সড়কে বিপুল পরিমাণ মাটি ছিটকে পড়ে। আজ শনিবার (৪ জুলাই) সকালে হালকা বৃষ্টির পর সেই মাটি গলে গিয়ে পুরো সড়কটি এক হাঁটু কাদায় পরিণত হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১০টায় সরজমিনে দেখা যায়, সড়কের পিচ ও খোয়া মাটির নিচে ঢাকা পড়েছে। পিচ্ছিল কাদার কারণে মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, ভ্যানসহ সব ধরনের যানবাহন চালকেরা চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন মোটরসাইকেল আরোহী ও পথচারী পিছলে পড়ে আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে এই মাটি ও ধুলার কারণে সড়কে চলাচল করা দায় হয়ে পড়ে। আর বর্ষা বা সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটি যেন কাদার নদীতে রূপ নেয়। দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা চললেও ইটভাটা কর্তৃপক্ষ রাস্তা পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। শুধু তাই নয়, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ও গ্রামীণ সড়ক ব্যবহার করে এভাবে মাটি বহনের ফলে রাস্তাটির স্থায়ী ক্ষতি হচ্ছে। তীব্র জনদুর্ভোগের মুখে পড়ার পর এলাকাবাসী এখন এই ইটভাটার বৈধ কাগজপত্র ও পরিবেশগত ছাড়পত্র আছে কিনা, তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন।

ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা জনস্বার্থে এই সংকটের দ্রুত স্থায়ী সমাধান চান। সড়কটি যানচলাচলের উপযোগী করতে এবং অবৈধভাবে সড়ক নোংরা করার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।