০১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলঢাকায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ

ভবদিশ চন্দ্র, জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : ০৯:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / ২৮১ Time View

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান জামান
ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৬ জুন) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান জামান জানান, দুপুরের দিকে ৮-৯টি মোটরসাইকেলে মুখোশ ও হেলমেট পরা একদল লোক পরিষদ চত্বরে এসে তার কক্ষে প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে মারধর শুরু করে। তিনি বলেন, “তাদের মধ্যে দুইজনকে আমি চিনতে পেরেছি, তবে বাকিদের মুখ ঢাকা থাকায় শনাক্ত করা যায়নি।”

হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল হাই বলেন, “আমি এবং চেয়ারম্যান সাহেব পাশাপাশি চেয়ারে বসে ছিলাম। হঠাৎ কিছু হেলমেট পরা ও মুখোশধারী লোক ঘরে ঢুকে চেয়ারম্যানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে এবং তার টেবিলে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে চেয়ারম্যানের দিকে ছুঁড়ে মারে।

চেয়ারম্যান মাথা নিচু করলে মোবাইলটি অন্যদিকে পড়ে যায়।” তিনি আরও বলেন, “এরপর হামলাকারীরা বলেন, ‘তিনজন মেম্বারকে বাদ দিয়ে আপনি একাই রাজত্ব করতে চান!’।”
চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান জামান ধারণা করছেন, পূর্ব বিরোধ বা রাজনৈতিক কারণে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরজু মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।……##

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

জলঢাকায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ

Update Time : ০৯:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান জামান
ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৬ জুন) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান জামান জানান, দুপুরের দিকে ৮-৯টি মোটরসাইকেলে মুখোশ ও হেলমেট পরা একদল লোক পরিষদ চত্বরে এসে তার কক্ষে প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে মারধর শুরু করে। তিনি বলেন, “তাদের মধ্যে দুইজনকে আমি চিনতে পেরেছি, তবে বাকিদের মুখ ঢাকা থাকায় শনাক্ত করা যায়নি।”

হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল হাই বলেন, “আমি এবং চেয়ারম্যান সাহেব পাশাপাশি চেয়ারে বসে ছিলাম। হঠাৎ কিছু হেলমেট পরা ও মুখোশধারী লোক ঘরে ঢুকে চেয়ারম্যানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে এবং তার টেবিলে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে চেয়ারম্যানের দিকে ছুঁড়ে মারে।

চেয়ারম্যান মাথা নিচু করলে মোবাইলটি অন্যদিকে পড়ে যায়।” তিনি আরও বলেন, “এরপর হামলাকারীরা বলেন, ‘তিনজন মেম্বারকে বাদ দিয়ে আপনি একাই রাজত্ব করতে চান!’।”
চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান জামান ধারণা করছেন, পূর্ব বিরোধ বা রাজনৈতিক কারণে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরজু মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।……##