জলঢাকায় সেনা সদস্যের উপর হামলায় ৪ জন গ্রেপ্তার
- Update Time : ০৮:০৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
- / ২১৩ Time View

নীলফামারীর জলঢাকায় ফেসবুক চ্যাট ও সমকামিতার অভিযোগে গত মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকালে জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়ন নাড্ডা পাড়ার মাহতাব উদ্দিনের ছেলে সেনা সার্জন মাহমুদুর রহমান (৪২) ৩ দিনের ছুটি নিয়ে বাড়িতে আসলে তার বিরুদ্ধে ফেসবুক চ্যাট ও সমকামিতার অভিযোগ এনে তাকে বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী গোলমুন্ডা বাজারে ডেকে নিয়ে গোপন টর্চার সেলে হাত পা বেধে মধ্যযুগী কায়দায় পিটিয়েছে হেলাল নামের কিশোর গ্যাং।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করে এবং ওই সেনা সার্জন মাহমুদুর রহমানকে মুমূর্ষ্য আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এরপর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী গিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত কিশোর গ্যাং এর ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পশ্চিম গোলমুন্ডার আফজাল হোসেনের ছেলে হেলাল (২৫), সিহাব (৩০), মোশারফ হোসেনের ছেলে মেহেদী (২০) ও মোজাম্মেল হকের ছেলে রাকিব (২২)। সেনা সার্জনকে পেটানোর ঘটনায় মনজুর রহমান বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃতরা সহ ১৬ জনের নামে ৮ অক্টোবর জলঢাকা থানায় মামলা দায়ের করেন, মামলা নং ০৯। এছাড়াও আরো ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মাফাজুল ইসলাম আরো বেশ কয়েকজন গণমাধ্যমকে জানান, সকালে সেনা সদস্য মাহমুদুর রহমান কে হেলাল গং ৬ থেকে ৭জন দুষ্কৃতকারী অচেতন অবস্থায় কাঁধে ভাড় করে স্থানীয় পল্লি চিকিৎসকের চেম্বারে নিয়ে যাচ্ছে।
এ সময় ওই সেনা সদস্যকে আমরা চিনতে পাই এবং নিয়ে যেতে ও মারতে বাঁধা নিষেধ করলে নির্যাতনকারীরা চড়াও হয় এবং মার মুখি আচরণ করে। তাদের হিংস্র আকৃতি দেখে আমরা তার পরিবারবর্গকে খবর দেই।
এর আগে দুষ্কৃতকারীরা সেনা সদস্য মাহমুদুর রহমানকে পুরাতন ইউনিয়ন পরিষদের পাঠাগার বর্তমানে কিশোর গাংয়ের টর্সাল সেল নামে পরিচিত কক্ষে আটকে রেখে বিদ্যুৎতের তার দিয়ে হাত পাঁ বেঁধে ভলিবল খেলার জাল দিয়ে পেচিয়ে পাষবিকভাবে নির্যাতন করা হয়।পরে সেনাবাহিনী আসলে ৪ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।






















