বিজেশ্বরের সন্ত্রাসী বাদশা চক্রের বিরুদ্ধে নগদ অর্থ ছিনতাইও হামলার অভিযোগে মামলা দায়ের
- Update Time : ০৮:৪৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
- / ৬১ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে নগদ অর্থ ও গাড়ি ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে কুখ্যাত ‘বাদশা চক্রের’ মূল হোতা বাদশা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহত চালক বিল্লাল কে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাউতলী ব্রিজ এলাকায় বিল্লাল মিয়া নামে এক সিএনজি চালককে কুপিয়ে আহত ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাটি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিআইডিতে (Criminal Investigation Department) তদন্তাধীন রয়েছে। মামলাটি বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত,ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত-২৩ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক রাত,৩টা ৩০, মিনিটের দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর পৌর এলাকার কাউতলী ব্রিজের উপর এ ঘটনাটি ঘটে। মামলার বাদী সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল মিয়া পেশায় একজন গাড়ি চালক।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়
প্রতিদিনের মতো গাড়ি চালানো শেষে বাড়ি ফেরার পথে কাউতলী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি তার সিএনজি আটকায়।
এসময় তারা তার কাছে থাকা টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
বাধা দিলে বিল্লাল মিয়ার উপর ধারালো দা” হকস্টিক,সহ দেশিয় অস্ত্র দিয়ে তার উপর এলোপাতাড়ি মারধর সহ তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বাদীর দাবি,হামলাকারীরা তার কাছে থাকা জমি কেনার জন্য নগদ-১ লাখ-৩০ হাজার টাকা এবং দৈনিক আয় বাবদ আরও
৪-হাজার। মোট-১ লাখ-৩৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
আহত অবস্থায় পড়ে থাকা বিল্লাল মিয়ার খুঁজ পেয়ে কাছাকাছি থাকা বিল্লাল মিয়ার আপন দুই ভাগিনা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্ৰহণ করেন।
মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির (Penal Code) নিম্নলিখিত ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে,৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৮২, ৩৯২, ৫০৬(২) ও ৩৪ ধারা। মামলা বিলম্বে দায়েরের কারণ বাদীপক্ষের অভিযোগ, ঘটনার পর অভিযুক্তদের পরিবারের পক্ষ থেকে আপোষ-মীমাংসার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।
মামলার সঙ্গে চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও আদালতে জমা দেয়া হয়েছে।
বর্তমানে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিআইডিতে তদান্তাদিন রয়েছে।












