১০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নলিয়ান মুচির দোয়াানি থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ জলদস্যু আনারুল বাহিনীর ১ সদস্য আটক

মোঃ ইকরামুল হক রাজিব, বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৩:২৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / ১৮৭ Time View

কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের শিবসা ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন শিবসা নদীর পশ্চিম তীরে মুচির দোয়ানি এলাকায় দুর্ধর্ষ ডাকাত দল আনারুল বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৭ এপ্রিল রবিবার বিকাল ৫ টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা এবং আউটপোস্ট নলিয়ানের সমন্বয়ে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সুন্দরবনের শিবসা নদীর পশ্চিম তীরের মুচির দোয়ানী এলাকা থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ জলদস্যু আনারুল বাহিনীর এক সহযোগীকে আটক করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। ২৮ এপ্রিল সোমবার দুপুরে এতথ্য নিশ্চিত করেন কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের শিবসা ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন শিবসা নদীর পশ্চিম তীরে মুচির দোয়ানি এলাকায় দুর্ধর্ষ ডাকাত দল আনারুল বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৭ এপ্রিল রবিবার বিকাল ৫ টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা এবং আউটপোস্ট নলিয়ানের সমন্বয়ে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালীন কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা বনের ভিতরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ১টি একনলা বন্দুক ও ৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ দুর্ধর্ষ জলদস্যু আনারুল বাহিনীর সদস্য মোঃ বিল্লাল হোসেন (৩৩) কে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটককৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ সুন্দরবনে ডাকাতি কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকার পাশাপাশি ডাকাত আনারুল বাহিনীকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছে। আটককৃত মোঃ বিল্লাল হোসেন খুলনার কয়রা থানার বাসিন্দা। উদ্ধারকৃত অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাকোপ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী টহল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে, যার ফলে এসব অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশ উন্নত হয়েছে। সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে কোস্টগার্ডের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নলিয়ান মুচির দোয়াানি থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ জলদস্যু আনারুল বাহিনীর ১ সদস্য আটক

Update Time : ০৩:২৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের শিবসা ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন শিবসা নদীর পশ্চিম তীরে মুচির দোয়ানি এলাকায় দুর্ধর্ষ ডাকাত দল আনারুল বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৭ এপ্রিল রবিবার বিকাল ৫ টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা এবং আউটপোস্ট নলিয়ানের সমন্বয়ে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সুন্দরবনের শিবসা নদীর পশ্চিম তীরের মুচির দোয়ানী এলাকা থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ জলদস্যু আনারুল বাহিনীর এক সহযোগীকে আটক করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। ২৮ এপ্রিল সোমবার দুপুরে এতথ্য নিশ্চিত করেন কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের শিবসা ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন শিবসা নদীর পশ্চিম তীরে মুচির দোয়ানি এলাকায় দুর্ধর্ষ ডাকাত দল আনারুল বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৭ এপ্রিল রবিবার বিকাল ৫ টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা এবং আউটপোস্ট নলিয়ানের সমন্বয়ে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালীন কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা বনের ভিতরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ১টি একনলা বন্দুক ও ৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ দুর্ধর্ষ জলদস্যু আনারুল বাহিনীর সদস্য মোঃ বিল্লাল হোসেন (৩৩) কে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটককৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ সুন্দরবনে ডাকাতি কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকার পাশাপাশি ডাকাত আনারুল বাহিনীকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছে। আটককৃত মোঃ বিল্লাল হোসেন খুলনার কয়রা থানার বাসিন্দা। উদ্ধারকৃত অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাকোপ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী টহল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে, যার ফলে এসব অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশ উন্নত হয়েছে। সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে কোস্টগার্ডের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।